বাইতুল ক্কোবা জামে মসজিদে স্বেচ্ছাচারিতা ও দখলদারিত্বের অভিযোগ

রাজশাহীর নগরীর মেহেরচণ্ডী পূর্বপাড়া এলাকার বাইতুল ক্কোবা জামে মসজিদের বর্তমান পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে দখলদারিত্ব, স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম এবং সাধারণ মুসল্লিদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এলাকার কয়েকজন মুসল্লি।
অভিযোগে বলা হয়, বর্তমান পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য মসজিদের নিয়মনীতি উপেক্ষা করে একচ্ছত্রভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। সাধারণ মুসল্লিদের মতামত বা সভার অনুমোদন ছাড়াই মসজিদের পূর্ববর্তী কমিটির নির্মিত সৌন্দর্যবর্ধনের কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, দলীয় প্রভাব খাটিয়ে একজন ইমাম নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইমামের জন্য নির্ধারিত কক্ষে অন্য একজনকে অবৈধভাবে রাখা হয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মসজিদের বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করছেন। এছাড়া এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে সাধারণ মুসল্লিদের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এবিষয়ে আব্দুর রশদ মমিন বলেন, "মসজিদ কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়; এটি সকল মুসল্লির ইবাদতের স্থান। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হোক এবং সাধারণ মুসল্লিদের অধিকার ও মসজিদের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হোক।"
এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, "বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য অভিযোগটি ইসলামী ফাউন্ডেশনে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।"
অভিযোগে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং মসজিদের পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। অভিযুক্ত পরিচালনা কমিটির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
ভোরের আকাশ/রই