শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গোদাগাড়ীতে কমিউনিটি পুলিশিং সভায় শীর্ষ মাদক কারবারি

রাজশাহী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ জুলাই ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাদকবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সভায় অংশ নিলেন এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি জাহাঙ্গীর আলম। তিনি হেরোইন ও অস্ত্রসহ একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। থানায় মাদক কারবারিদের তালিকায় তার নামও আছে দুই নম্বরে। সেই জাহাঙ্গীর আলম মাদকবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সভায় অংশ নেওয়ায় প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।

‘মাদকমুক্ত থানা গড়ার লক্ষ্যে’ মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মতবিনিময় ও কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়। গোদাগাড়ী থানা আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ। সভাপতিত্ব করেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান। ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানও। এখানেই সহযোগী মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে গিয়ে দর্শক সারিতে বসে ছিলেন মাদক মাফিয়া জাহাঙ্গীর আলম। পুলিশই লোকজন নিয়ে তাকে এই সভায় ডেকেছিল বলে জানা গেছে।

এই সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র আমিনুল ইসলামের ছোট ভাই অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্যি আজকে এই হলে এসে গোদাগাড়ীর বিখ্যাত, কুখ্যাত-কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী এসে বসে আছে। এ সময় ঠিক বলে দর্শক সারি থেকে হাততালি আসে। রবিউল বলতে থাকেন, ‘গোদাগাড়ীর পুলিশ-প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনাদের কাছে মাদক কারবারিদের তালিকা আছে। আপনারা এর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেন, যদি এলাকা মাদকমুক্ত করতে চান।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি আজকে হুমকি মনে করছি, এই কথা অনুষ্ঠানে বলার কারণে।’

গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি আইনজীবী সালাহউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ‘গোদাগাড়ীতে বেশিরভাগ অনুষ্ঠানই হয় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকায়। রাজনৈতিক দলের নেতারাও ভোট করেন তাদের টাকায়। এখানকার পুলিশ-প্রশাসনে যেসব কর্মকর্তা আসেন তারা রাতারাতি কোটিপতি বনে যান। এখানে মাদক নির্মুল করতে হলে যারা আসবেন তারা আসার আগে-পরে আয়-ব্যয়ের হিসাব নেওয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। তা না হলে এভাবেই পুলিশের সঙ্গেই মাদক ব্যবসায়ীরা থাকবেন।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ অনেক সময় উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য গোপনে বিক্রি করে। সে কারণে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটা সম্পর্ক হয়েই যায়। এগুলো বন্ধ না হলে সভা করে লাভ নেই।’

জাহাঙ্গীরকে মাদকবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সভায় ডাকার বিষয়ে কথা বলতে গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

আরও পড়ুন

মধ্যনগরে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মেধাবৃত্তির পুরস্কার বিতরণ

ওই সভার সভাপতি পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘এ মাদক একটা সর্বগ্রাসী বিষয়। আমরা চাচ্ছি, মানুষের মাঝে সচেতনতা যেন বৃদ্ধি পায়। পাবলিকই যেন তাদের ধরে। এই যে সে সভায় এসেছে, আপনারা ধরছেন। এরপরে তো কোনো ধরনের অযুহাত নিয়ে আসার সুযোগ থাকবে না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই আমরা তাকে ধরব।’

তিনি বলেন, ‘যে মাদক ব্যবসা করবে তাকে আমরা ধরব। আমাদের কাছে তালিকা আছে। আমরা কাউকেই বাইরে রাখব না। নিশ্চিত থাকেন, আমরা ১ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত কঠোর মাদকবিরোধী অভিযান চালাব। তাদের ধরতে আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকবে না।’

ভোরের আকাশ/এনউব

কমিউনিটি পুলিশিং সভা

শেয়ার করুন: