শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের নির্দেশনার পর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানের প্রথম দিনেই সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অর্ধশতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মঞ্জু বিন আফনান।

তিনি জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পরপরই জেলা প্রশাসন উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছে। পর্যায়ক্রমে সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হবে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে বালুচরের ওপর ঝিনুক-শামুকের দোকান, ফুচকা, ঝালমুড়ি ও চটপটির ভাসমান দোকানসহ নানা ধরনের অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। এসব দোকানপাট ও যেখানে-সেখানে ফেলা ময়লা-আবর্জনার কারণে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য ক্ষুণ্ন হচ্ছিল।

এর আগে গত সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সৈকতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় এক সপ্তাহের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, পর্যটন নগরী কক্সবাজারের প্রধান আকর্ষণ সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে সৈকতে নতুন করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে, সে জন্য নজরদারি জোরদার করা হবে।

ভোরের আকাশ/নি

কক্সবাজার

শেয়ার করুন: