শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে জমে থাকা পানিতে বাড়ছে মশার উপদ্রব

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

জামালপুর শহরে বর্তমানে মশার উপদ্রব যেন দিন দিন বাড়ছেই। কয়েলের ধোঁয়া বা ফ্যানের বাতাস mকোনো কিছুতেই যেন মশাদের তেমন প্রভাব পড়ে না। 

এর প্রধান কারণ শহরের অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, যেখানে অনেক ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে ব্লক হয়ে আছে। ফলে বৃষ্টির পানি বা নোংরা পানি জমে থাকে, যা মশার বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করে।

জামালপুর বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহর, যা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত। শহরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত, বিশেষ করে কৃষিপণ্যের জন্য। বর্তমানে শহরের জনসংখ্যা প্রায় ১.৫ লক্ষের বেশি, যা ক্রমেই বাড়ছে।  জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নগর ব্যবস্থাপনার উপর চাপও বেড়ে যাচ্ছে।

শহরের মোট ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক থাকলেও এর একটি বড় অংশ অপরিকল্পিত বা অপরিষ্কার অবস্থায় রয়েছে। প্রায় ৫৫ কিলোমিটার ড্রেন থাকলেও অনেক জায়গায় নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে পানি জমে থাকে। এছাড়া যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা, অপর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতার অভাব সমস্যাটিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

মশার উপদ্রব কমাতে হলে প্রথমত ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা এবং যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি পৌরসভা ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। 

সচেতনতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জামালপুরকে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

মশার উৎপাতজামালপুর

শেয়ার করুন: