মহেশখালীর প্যাথলজিতে ভ্রাম্যমাণ অভিযান, ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

মহেশখালীতে গড়ে তুলেছে একাধিক রোগ নির্ণয় কেন্দ্র। পরীক্ষা দেখিয়ে রোগীদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে অর্থ। এসব রোগ নির্ণয় কেন্দ্র অপরিষ্কার, অস্বচ্ছ, মানসম্মত ও সরকারি বিধান না মানায় মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু জাফর মজুমদার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে ৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক মহেশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু জাফর মজুমদার এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ অভিযানে ৫টি রোগ নির্ণয় কেন্দ্র তথা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে পাঁচটি মামলায় ৩৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার সরকারি হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. জিয়া উদ্দিন ও মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মাহফুজুল হক। এছাড়াও ছিলেন উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত নাজির ইন্দ্রজিৎ।
ওইসময় নিউরণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মহেশখালী ডেন্টাল পয়েন্ট, ওয়ান হেলথ কেয়ার, আইল্যান্ড হেলথ কেয়ার এবং মহেশখালী প্যাথলজীসহ ৫টি রোগ নির্ণয় কেন্দ্র তথা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিভিন্ন রেজিস্ট্রেশন সনদ, প্যাথলজি ল্যাব ও এক্সরে ল্যাবে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদির সার্বিক গুণগত মান, রোগীদের নিরাপদ সেবা ও পরিচ্ছন্নতা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এতে মানসম্মত না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানদ্বয়কে
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় পৃথক পৃথক পাচঁটি মামলায় মোট ৩৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
এদিকে স্থানীয়রা এমন অভিযানকে সাদরে গ্রহণ করেন। অভিযান চলমান রাখলে রোগ নির্ণয় কেন্দ্র গুলি স্বচ্ছ ও মানসম্মত সেবা দিতে বাধ্য থাকবে। তাই জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেদায়েত উল্যাহ্ জানান, দ্বীপে বসবাসরত সর্বসাধারণের সার্বিক নিরাপদ রাখতে উপজেলা প্রশাসন সর্বাধিক সচেষ্ট আছে।
ভোরের আকাশ/মো.আ.