শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৪২ ফুট খুঁড়েও সন্ধান মেলেনি শিশু সাজিদের, চলছে উদ্ধার অভিযান

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩:২০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি ডিপ টিউবওয়েলের বোরিং পাইপের ভেতরে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদকে ৪২ ফুট পর্যন্ত খনন করেও পাওয়া যায়নি। শিশুটিকে উদ্ধারে অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এখন বড় পরিসরে মাটি খোঁড়া হচ্ছে। শিশুটি উদ্ধারে আরও সময় লাগতে পারে। শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট। তিনটি এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খননের কাজ করা হচ্ছে।

গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তানোর উপজেলার পাচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে শিশু পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুর নাম সাজিদ। সে পূর্বপাড়া গ্রামের রাকিব উদ্দীনের ছেলে। তাকে উদ্ধারের জন্য সবশেষ চেষ্টা হিসেবে তিনটি এক্সক্যাভেটর দিয়ে আশপাশের মাটি খনন করা হয়েছে। খনন করা অংশ থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে শিশুটি যে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে গেছে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করছে উদ্ধারকারীরা। তবে পানি ও কাদার কারণে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে।

এর আগে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত কয়েক দফা নলকূপের গর্তে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ক্যামেরা নামায়। কিন্তু গর্তের ভেতরে ওপর থেকে পড়া মাটি ও খড়ের কারণে শিশুটিকে তারা শনাক্ত করতে পারেনি।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাইজুল ইসলাম বলেন, মাটির ওপর থেকে ৪২ ফুট গভীরতায়ও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাকে উদ্ধারে তাই আশপাশের মাটি খননের বিকল্প নেই। সেই কাজটিই এখন করছে ফায়ার সার্ভিস।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

রাজশাহীশিশু সাজিদ

শেয়ার করুন: