খুলনার বিশ্বাস ক্লিনিকে অপারেশনের পর রোগীর পেটে পিন- ক্লিপ থাকার অভিযোগ

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত বিশ্বাস ক্লিনিক অ্যান্ড বিশ্বাস ইনভেস্টিগেশন সেন্টারে অপারেশনের পর রোগীর পেটে পিন-ক্লিপ থাকার অভিযোগ করেন খুলনার বটিয়াঘাটা সুন্দরমহল গ্রামের ইমরান গাজীর স্ত্রী লাবনী খাতুন।
তিনি পিত্তথলির পাথর অপারেশন করাতে ভর্তি হয়েছিলেন। ডা. সুব্রত কুমার মন্ডল লাবনী খাতুনের অপারেশন করেন। অপারেশনের পর তার পেটের ভেতরে পিন-ক্লিপ রয়ে যায়।
এতে তিনি শারীরিক জটিলতায় পড়েছেন বলেও দাবি করেছেন।
অভিযোগ করার পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ লাবনী খাতুনকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন, এবং কিছু আর্থিক ক্ষতিপূরন চিকিৎসা সহায়তা করেছে বলে জানা যায়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা যায়, গত ২৩ মে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত বিশ্বাস ক্লিনিক অ্যান্ড বিশ্বাস ইনভেস্টিগেশন সেন্টারে তাকে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, ডা. সুব্রত কুমার মন্ডল লাবনী খাতুনের অপারেশন করেন। অপারেশনের পর তার পেটের ভেতরে পিন রয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন, পরবর্তীতে ক্লিনিকে এসে অভিযোগ করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বিশ্বাস ক্লিনিকের ডা: সুব্রত কুমার মন্ডল বলেন, পিত্তথলির অপারেশন করতে গেলে গলব্লাডারের সাথে দুই পাশে টাইটানিয়াম ক্লিপ ( পিত্তরস বের হতে না পারে এজন্য) লাগানো হয়। কাটার পর পাথর বের করার সময় সেলাইয়ের নীচে ক্লিপ ভূল বশত: থেকে যেতে পারে।
তাছাড়া যে ক্লিপের কথা বলা হচ্ছে সেটা কোনো ধাতব পদার্থ নয়, টাইটেনিয়াম ক্লিপ। একসময় শরীরের সাথে মিশে যায়। এ বিষয়ে উদ্বীগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
এবিষয়ে গত মঙ্গলবার (১৮ আগষ্ট) খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা: মোশাররফ হোসেন বলেন, বিশ্বাস ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি, অতি দ্রুত ইনভেস্টিগেশন করা হবে।