শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অষ্টগ্রাম হাওরে আমনের সবুজ পাতায় স্বপ্ন দেখছে কৃষক

অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

কিশোরগঞ্জের ‘ভাটির রানি’খ্যাত অষ্টগ্রাম উপজেলার হাওরে এখন রোপা আমনের সবুজ সমারোহ। মাঠের পর মাঠজুড়ে দুলছে ধানের সবুজ চারা। সকালের সোনালি রোদে ধানের পাতায় জমে থাকা শিশিরবিন্দু ছড়াচ্ছে আলোর ঝলকানি। প্রকৃতির এমন মনোরম দৃশ্য দেখে কৃষকের মনে জাগছে সোনালি ফসল ঘরে তোলার স্বপ্ন।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাওরজুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। মাঠের পর মাঠ যেন সবুজের আলপনায় এঁকে দিচ্ছে কৃষকের আগামীর স্বপ্ন। আর কিছুদিন পর ধানের শিষে ভরে উঠবে মাঠ। পাকা ধানের সোনালি আভায় বদলে যাবে হাওরের দৃশ্যপট। কৃষকের গোলায় উঠবে নতুন ফসল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আমনের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পূর্ব অষ্টগ্রাম, অষ্টগ্রাম সদর, আবদুল্লাহপুর, কলমা ও বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মাঠ সবুজ ধানে ছেয়ে গেছে।

প্রয়োজনীয় বৃষ্টি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার ধানখেতে ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তাঁরা ব্রি-৪৯, ব্রি-৭৫, ব্রি-৮৭, ব্রি-১০৩, বিআর-২২, বিনা-৭ ও বিনা-১৭ জাতের ধান চাষ করেছেন।

আমন মৌসুমের শুরুতে সেচের পানি কিনতে না হওয়ায় উৎপাদন খরচও কমেছে কৃষকদের। এতে তাঁরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশা করছেন। সময়মতো ফসল ঘরে তুলতে পারলে পরিবারের খাদ্যচাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি ধান বিক্রি করে আয় করাও সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

পূর্ব অষ্টগ্রামের প্রান্তিক কৃষক দিলীপ সূত্রধর বলেন, “এ বছর আমি তিন বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছি। ধানের চারাগুলো এত সুন্দর হয়েছে যে দেখে মন ভরে গেছে। ভালো ফলন হলে আমাদের কষ্ট সার্থক হবে।”

আরও পড়ুন

সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় বাস চালকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

একই গ্রামের কৃষক মামুন মিয়া বলেন, মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে তাঁরা উপকৃত হচ্ছেন। সময়মতো প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাওয়ায় ধান চাষে সুবিধা হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাজ উদ্দিন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকা ও বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় এবার উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ফসলের সুরক্ষায় কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে বাদামি গাছফড়িংয়ের আক্রমণ থেকে ধানখেত রক্ষায় আগাম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

শেয়ার করুন: