শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঘোড়াঘাটে বৃষ্টির পানিতে প্রাণ ফিরেছে আমনে, ভালো ফলনের স্বপ্ন কৃষকের

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বৃষ্টির পানিতে প্রাণ ফিরেছে আমনে, ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা। আমন ধানে ফুল আসা ও দানা গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে
বৃষ্টির জন্য অপেক্ষায় ছিলেন কৃষকেরা। বৃষ্টি না হওয়ায় হতাশায় পরেছিলেন কৃষক। কয়েক দিনের খরা ও সেচ নির্ভরতায় যখন বাড়ছিল উৎপাদন খরচ ও ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তা, তখন বৃষ্টিতে সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে।

দীর্ঘ শুষ্কতার পর এই বৃষ্টিতে আমনখেতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরেছে, কমেছে সেচের প্রয়োজনও। ফলে ধানের ফলন ভালো হওয়ার পাশাপাশি বিঘাপ্রতি
প্রায় এক হাজার টাকা পর্যন্ত সেচ খরচ সাশ্রয়ের আশা করছেন কৃষকেরা।

প্রকৃতির সহায়তা আর কৃষকের নিরলস পরিচর্যায় এখন উপজেলা বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজ আমনের সমারোহ। খরার দুশ্চিন্তা আপাতত কাটিয়ে কৃষকের
চোখ এখন পরিপক্ব সোনালি ধানের অপেক্ষায়।

সরেজমিনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক বৃষ্টির পর আমনখেতের চেহারা বদলে গেছে। জমিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা তৈরি হওয়ায় সেচের প্রয়োজন কমেছে।

উপজেলার রামেশ্বরপুর এলাকার কৃষক শফিকুল ইসলাম বলেন, “বৃষ্টিতে ধানখেতের কোনো ক্ষতি হয়নি, বরং দারুণ উপকার হয়েছে। কৃত্রিম পানির চেয়ে বৃষ্টির পানি পেয়ে ধানগাছগুলো
খুব সতেজ ও সুন্দর হয়ে উঠছে। গত বছর বিঘায় ২২ মণ ধান পেয়েছিলাম। এবারও ভালো ফলনের আশা করছি।

সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে দুই থেকে তিনবার সেচ দেওয়ার প্রয়োজন কমে যাওয়ায় বিঘাপ্রতি প্রায় এক হাজার টাকা পর্যন্ত সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

কৃষকেরা বলছেন, বৃষ্টির পানিতে ধানের পাতা ধুয়ে পরিষ্কার হওয়ার পাশাপাশি গরমজনিত রোগবালাই ও পোকামাকড়ের ঝুঁকিও কিছুটা কমে।

উপজেলার ভেলামারী এলাকার কৃষক আনিছুর রহমান বলেন, “আমন ধানের জন্য বৃষ্টির পানি পরম আশীর্বাদ। সেচ ও কীটনাশকদুই খাতেই খরচ কমে যায়। গত বছর প্রতি
বিঘায় ২০ মণ ধান পেয়েছিলাম। এবারও ভালো ফলনের আশা করছি।”

মৌসুমের শুরু থেকে বীজতলা তৈরি, চারা রোপণ, সার প্রয়োগ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। তবে কয়েক দিনের শুষ্ক আবহাওয়া ও সেচ নির্ভরতার
কারণে তাঁদের দুশ্চিন্তা বাড়ছিল। দীর্ঘদিনের শুষ্কতার পর এ বৃষ্টিতে জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরে এসেছে।

আরও পড়ুন

বৃষ্টিতে গলে পড়ছে ট্রাকভর্তি চিনি, কুষ্টিয়ায় জব্দ; আটক ৪

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ রফিকুজ্জামান বলেন, ধানে ফুল আসা ও দানা গঠনের সময়ে এ ধরনের বৃষ্টি ফলনের জন্য ইতিবাচক। এ সময়ে বৃষ্টি হলে
আমন ধানের বৃদ্ধি ও ফলন ভালো হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে ধানে ফুল আসা ও দানা গঠনের সময়ে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এবার আধুনিক জাত ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ায় কৃষকদের মধ্যে ভালো ফলনের প্রত্যাশাও রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে
বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।হিলি-ঘোড়াঘাট মহাসড়কে ধীরগতির কাজে বাড়ছে ব্যয় ও ভোগান্তি।


ভোরের আকাশ/ইউএম

আমন ধান

শেয়ার করুন: