শীর্ষ ইসলামী আলেমদের ফাঁসি দিয়ে হত্যা করেছে ফ্যাসিবাদী সরকার
পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল গাফফার খান বলেছেন, এখনো কুচক্রি মহল জনগণকে ইসলাম থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। ইসলামী রাষ্ট্র ছাড়া এদেশের মানুষের অধিকার আদায় হবে না। জনগণের প্রকৃত শান্তি ফিরে আসবে না। অসংখ্য আলেমদের আয়নাঘরে বন্দী রেখে ইসলাম ত্যাগ করাতে জুলুম নির্যাতন করেছিল। ফাঁসির মঞ্চে শীর্ষ আলেমদের অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে ফ্যসিবাদী হাসিনা সরকার।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার পাবনার সুজানগর উপজেলা উলামা মাখায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এদেশের সব আলেমদের সেরা আলেম ছিলেন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। জেলের মধ্যে তাকে সীমাহীন জুলুম নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তার জনপ্রিয়তা ভয় পেয়ে হাসিনা সরকার বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছে। এর প্রতিশোধ বাংলার জনগণ একদিন নিবে। এদেশে ইসলাম কায়েমের মাধ্যমে তার হত্যার বদলা নেওয়া হবে। রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়ে মানবরচিত আইন কবর দিতে হবে। এদেশের মানুষের জন্য আলেমদের ভূমিকা অনেক রয়েছে। আলেমদের থেকে মানুষের চাওয়া পাওয়া অনেক বেশি।
তিনি আরও বলেন, এদেশে চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আগামীতে জনগণ রায় দিবেন। দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে এদেশের মানুষের মুক্তি মিলবে। ৫৪ বছরেও এ জাতি প্রকৃত প্রকৃত উন্নয়ন দেখতে পায়নি। দুর্নীতি ও লুটপাট করে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে টাকা পাচার করেছে। বিদেশে শতশত বাড়িগাড়ী করেছে। দেশকে তলাবিহীন ঝুঁড়িতে পরিনত করেছে।
আপনাদের এলাকার বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ অধ্যাপক হেসাব উদ্দিনকে ভোট দিয়ে বিজয় করতে হবে। তিনি সংসদে গিয়ে কোরআনের কথা বলবেন। সন্ত্রাস ও চাঁদবাজমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে।
জেলা উলামা মাখায়েখ পরিষদের সদস্য মাওলানা মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে ও সুজানগর উলামা মাশায়েখের সভাপতি মাওলানা মো: রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সুজানগর উপজেলা জামায়াতের আমীর ও পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন মাওলানা মাসুম খান, মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মাহতাব উদ্দিন, মাওলানা শফিউল্লাহ প্রমুখ। এছাড়াও সুজানগর উপজেলা উলামা মাশায়েখ পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
ভোরের আকাশ/এসএইচ