শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী-ননদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৫, ৩:২৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জিয়াছমিন খাতুন নামে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ের স্বামী ও ননদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ মো. ইকবাল হোসেন এরায় প্রদান করেন।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রফিক সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মামলার মোট আসামি ৬ জন। এদের মধ্যে দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও চার জনকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া গ্রামের শুকুর আলী প্রামাণিকের ছেলে দোলন হোসেন প্রামানিক ও তার মেয়ে সুজনী খাতুন (ভাই-বোন)।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, আবুল কালাম, আব্দুল হামিদ, আন্তাহার আলী ও রমেছা বেগম।

মামলার অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১০ সালে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া গ্রামের শুকুর আলী প্রামাণিকের ছেলে দোলন হোসেন প্রামাণিকের সঙ্গে একই গ্রামের জিয়াছমিন খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসার জীবনে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান জন্ম গ্রহণ করে। পারিবারিক বিরোধের জেরে দোলন হোসেন তার স্ত্রীকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে আসছিলো। এনিয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার সালিশি বৈঠকও করে। পারিবারিক বিরোধের জেরে ২০১৯ সালের ১৩ জুন জিয়াছমিন খাতুনের হত্যা করে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এঘটনায় নিহতের পিতা হাজী মো. ইউছুব আলী প্রামানিক বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে রায়গঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর ৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। আসামির মধ্যে দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও চার জনকে বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।

এসময় রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, এই আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. রফিক সরকার ও আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন, অ্যাড. বিমল কুমার দাস, অ্যাড. মো. আবু সাফী ও অ্যাড. শামীমা খাতুন।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

কারাদন্ডস্ত্রী হত্যাস্বামীসিরাজগঞ্জপুলিশ

শেয়ার করুন: