শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষকদের আন্দোলনে পড়াশোনার ক্ষতি হলে কঠোর ব্যবস্থা: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

খুলনা ব্যুরো

প্রকাশ : ৯ নভেম্বর ২০২৫, ৫:১২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের একবারে ১৩ থেকে দশম গ্রেডে আসার কোনো যুক্তিই নেই। তাদের এই মুহূর্তে আন্দোলনে যাওয়াও যৌক্তিক নয়। যদি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা বিঘ্নিত হয়; সেক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে তিন জেলা- খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট এর প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। সভার মূল আলোচনার বিষয় ছিল প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়ন এবং শিক্ষক ও প্রশাসনের অংশগ্রহণ।

গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে শিক্ষকদের কথা বলার অধিকার আছে। তবে বেশিরভাগ শিক্ষকের মতে, একবারে ১৩ থেকে দশম গ্রেডে পদোন্নতি যৌক্তিক নয়। প্রধান শিক্ষকদের ইতিমধ্যেই দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে, সাধারণ শিক্ষকের সংখ্যা অনেক বেশি, তাই সরাসরি পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা চেষ্টা করছি যেন তারা ১১তম গ্রেডে উন্নীত হতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সরকারের উদ্দেশ্য হলো ৮০ শতাংশ পদোন্নতি প্রদান করা, বাকি ২০ শতাংশ নতুন নিয়োগের জন্য রাখা হয়েছে।

এর আগে সকালে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান উন্নয়নে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট অংশীজনের ভূমিকা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় শিক্ষকদের নৈতিক, ব্যবহারিক, সহশিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

 

আন্দোলনশিক্ষকগণশিক্ষা উপদেষ্টা

শেয়ার করুন: