প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর ঘিরে নগর সাজানোর প্রস্তুতি কেসিসির

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন খুলনা সফর উপলক্ষে নগরীর পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন ও সড়ক সংস্কারসহ সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। এ লক্ষ্যে রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে এক জরুরি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
সভায় প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে খুলনায় আসবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে মহানগরীর প্রবেশপথগুলোর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উন্মুক্ত স্থানে বৃক্ষরোপণ ও অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করতে হবে। ইতোমধ্যে যেসব এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে, সেগুলো যেন আবার অপরিচ্ছন্ন হয়ে না পড়ে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, গল্লামারী থেকে ময়লাপোতা এবং সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়কে সংস্কারের প্রয়োজন হলে তা দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। হাজী মহসিন রোড পরিচ্ছন্ন রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ সময় ওই সড়কে ভ্যানের ওপর সবজি, মাছ ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রেতাদের সোমবার থেকে মহিলা মাদরাসার সামনের নির্ধারিত এলাকায় সরে যাওয়ার অনুরোধ জানাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
সভায় নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে গল্লামারী থেকে ময়লাপোতা, রয়্যালের মোড় হয়ে টুটপাড়া কবরখানার মোড় দিয়ে হাজী মহসিন রোড হয়ে সার্কিট হাউস; শিববাড়ি মোড় হয়ে ময়লাপোতা; গল্লামারী থেকে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড হয়ে শিববাড়ি মোড়; সার্কিট হাউস থেকে ডাকবাংলা হয়ে নেভিগেট; যশোর রোড থেকে শিববাড়ি মোড়; বৈকালীর গোয়ালখালী মোড় থেকে খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল; রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে টুটপাড়া কবরখানা মোড় এবং রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে নতুন বাজারের সামনে দিয়ে সার্কিট হাউস পর্যন্ত সড়ক।
এসব সড়কে বিদ্যমান অবৈধ ব্যানার, প্যানা ও পোস্টার অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং গঠিত কমিটির সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া মোস্তর মোড় থেকে বয়রা কলেজ মোড় এবং ময়লাপোতা থেকে পাওয়ার হাউস মোড় পর্যন্ত সড়ক পরিচ্ছন্ন করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ করিম ও বিদ্যুৎ কুমার দাসসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং গঠিত কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভোরের আকাশ/জেআ