শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফুলে সাজানো গাড়িতে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হলো অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

দীর্ঘ ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনের শেষ কর্মদিবসে সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ও সম্মাননায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন টাঙ্গাইলের সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও ইংরেজি বিভাগের প্রধান এ কে ফজলুল হক মিয়া। 

সোমবার তাঁকে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে ফুলে সাজানো একটি প্রাইভেটকারে করে তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দেন সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। গাড়িটির সামনে ছিল প্রায় ৪০টি মোটরসাইকেলের বহর।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে কলেজ চত্বরে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ এম এ রউফ। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কবির হাসান, কলেজের উপাধ্যক্ষ এস এম জাকির হুসাইন, বাংলা বিভাগের প্রধান মুহম্মদ আবদুল আলীম, ফারুক হোসেন, মাহমুদুল হক শামীম, খাইরুন নাহার মল্লিক, হামিদুর রহমান এবং ইংরেজি বিভাগের অনার্সের শিক্ষার্থী সুমি আক্তারসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

বিদায়ী শিক্ষককে কলেজের পক্ষ থেকে উপহার ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ইংরেজি বিভাগের পক্ষ থেকেও তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার দেওয়া হয়। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এ কে ফজলুল হক মিয়া।

বিদায় সংবর্ধনায় তিনি বলেন, ‘বিদায় বেলায় আমাকে এত সম্মান দেখানো হবে, তা আমি কখনো ভাবতেও পারিনি। আমার খুবই ভালো লেগেছে। এমন রাজকীয় বিদায়ের কথা আমি জীবনে কখনো ভুলতে পারব না।’

অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা ফুল দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। পরে ফুল দিয়ে সাজানো একটি প্রাইভেটকারে তাঁকে বাড়ির উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। গাড়িটির সামনে প্রায় ৪০টি মোটরসাইকেলের বহর ছিল। প্রায় তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তাঁকে সখীপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় তাঁর স্ত্রী সালেহা বেগম ও দুই কন্যা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

আরও পড়ুন

হরিরামপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল

কলেজের অধ্যক্ষ এম এ রউফ বলেন, ‘ফজলুল হক স্যার শুধু একজন ভালো শিক্ষকই ছিলেন না, তিনি একজন ভালো মানুষও ছিলেন। শিক্ষার্থীদের কাছেও তিনি অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন।’

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, এ কে ফজলুল হক মিয়া ১৯৯২ সালে উপজেলার হাতিয়া ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। পরে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। অবসর নেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি কলেজটির ইংরেজি বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

ভোরের আকাশ/রই

এ কে ফজলুল হক মিয়া

শেয়ার করুন: