শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

মহেশখালীতে এসএসসি ফলাফলে পাশের হারে আইল্যান্ড হাই স্কুল, জিপিএ-৫-এ মডেল হাই স্কুল শীর্ষে

মহেশখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে মহেশখালী আইল্যান্ড হাই স্কুল। 

প্রতিষ্ঠানটির পাশের হার ৮৭ দশমিক ০১ শতাংশ। অন্যদিকে সর্বোচ্চ ১১টি জিপিএ-৫ অর্জন করে উপজেলায় সেরা সাফল্য দেখিয়েছে মহেশখালী মডেল হাই স্কুল।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ফলাফল অনুযায়ী, মহেশখালী আইল্যান্ড হাই স্কুলের ৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৮৭ দশমিক ০১ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মহেশখালী মডেল হাই স্কুলের ১৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৪০ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাশের হার ৭৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। তবে পাশের হারে দ্বিতীয় হলেও জিপিএ-৫ অর্জনে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে প্রতিষ্ঠানটি। এখান থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

৭৬ শতাংশ পাশের হার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বড় মহেশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এদিকে ৬৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ পাশের হার ও ৩টি জিপিএ-৫ নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পানিছড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। উত্তর নলবিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৬৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। কুতুবজোম আইডিয়াল হাই স্কুলে পাশের হার ৬১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।

হোয়ানক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৫৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। মহেশখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ হলেও প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৫৫ শতাংশ পাশের হার নিয়ে কুতুবজোম অফ-শোর হাই স্কুলের অবস্থান নবম এবং আব্দুল মাবুদ চৌধুরী হাই স্কুল ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ পাশের হার নিয়ে দশম অবস্থানে রয়েছে।

শীর্ষ দশের বাইরে জালেয়ারপাড় ঘাট মডেল হাই স্কুলের পাশের হার ৪৭ দশমিক ২৭ শতাংশ, হোয়ানক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৬ দশমিক ১৫ শতাংশ, কালারমারছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪৩ দশমিক ৩২ শতাংশ, মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪১ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ধলঘাটা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৭ দশমিক ২১ শতাংশ, ইউনুছখালী নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৬ শতাংশ, শাপলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, মাতারবাড়ী আদর্শ পাবলিক হাই স্কুলের ২৯ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং ছোট মহেশখালী মডেল হাই স্কুলের পাশের হার ২৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

ফলাফলে সাফল্যের অনুভূতি জানিয়ে মহেশখালী মডেল হাই স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের এক জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, শিক্ষকদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও মা-বাবার কঠোর পরিশ্রমের কারণেই আজকের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হয়ে দেশের সেবা করতে চাই।”

কুতুবজোম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী জাকিয়া খানম ইশফা বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, খুব খুশি হয়েছি মা-বাবা ও আমার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে। শিক্ষকরা আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন এবং ভালোভাবে পড়িয়েছেন, যা আমাদের ফলাফলে বড় ভূমিকা রেখেছে।”

আরও পড়ুন

ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ গোয়ালন্দবাসী, ব্যাহত জনজীবন

মহেশখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া সামিহা বলেন, “পাশের হার কিছুটা কম হলেও আমাদের বিদ্যালয় থেকে ৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। নিয়মিত পড়াশোনা ও শিক্ষকদের তদারকিই আমার ফলাফলের মূল চাবিকাঠি।”

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চল মহেশখালীর বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার প্রশংসনীয় ফলাফল অর্জন করেছে। বিশেষ করে পাশের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানের পাশের হার ৩০ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মানোন্নয়নে নিয়মিত তদারকি, শিক্ষক-অভিভাবক সমন্বয় এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন।

ভোরের আকাশ/রই 

সামিহা

শেয়ার করুন: