কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সাময়িক ব্যবসা বন্ধের সিদ্ধান্ত, নবায়ন হবে না কোনো কার্ড

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনাকারী সকল সাময়িক কার্ডধারী ব্যবসায়ীর কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা আর নবায়ন করা হবে না। একই সঙ্গে সৈকতের কোনো স্থানে নতুন করে আর কোনো সাময়িক ব্যবসার কার্ডও ইস্যু করা হবে না বলে জানিয়েছে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি।
বুধবার (১ জুলাই) জারি করা এক জরুরি ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়।ঘোষণায় বলা হয়, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের রিট পিটিশন নং-৬২৬/২০১১-এর আদেশ এবং সাময়িক কার্ডের শর্ত লঙ্ঘনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, ঢাকার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখের ১৯৪ নম্বর পত্র এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখের ৩৪৪ নম্বর পত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনার কারণে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে এবং আদালতের নির্দেশনাও লঙ্ঘিত হচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সৈকতে পরিচালিত সকল সাময়িক কার্যধারী ব্যবসার অনুমতি পর্যায়ক্রমে বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি জানায়, বর্তমানে ইস্যুকৃত সাময়িক কার্ডের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বহাল থাকলেও এর পর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য কোনো কার্ড পুনঃনবায়ন করা হবে না। পাশাপাশি সৈকতের কোথাও নতুন করে সাময়িক ব্যবসার জন্য কোনো কার্ডও দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে গত ১ জুন ২০২৬ জারি করা ২০৭ নম্বর পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ীকে আগেই অবহিত করা হয়েছে।
জরুরি ঘোষণায় আরও বলা হয়েছে, সমুদ্র সৈকতের সকল সাময়িক কার্ডধারী ব্যবসায়ীকে অতি দ্রুত নিজ দায়িত্বে দোকান, ছাউনি, অস্থায়ী স্থাপনা ও অন্যান্য অবকাঠামো অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী উচ্ছেদসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পর্যটননগরী কক্সবাজারের পরিবেশ সংরক্ষণ, সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ভোরের অঅকাশ/ এনউব