শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যায় প্রায় ৫ কোটি টাকার ফসল হানি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১ অক্টোবর ২০২৫, ৭:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

সাম্প্রতিক বন্যায় কুড়িগ্রামে প্রায় ৫ কোটি টাকার ফসল হানি হয়েছে। এতের চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রান্তিক চাষীরা। কৃষি বিভাগ জানায়, সাম্প্রতিক বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে ১ হাজার ১৩৭ হেক্টর জমির রোপা আমন, ১৫০ হেক্টর জমির শাক-সবজি ও ৫৯ হেক্টর জমির মাসকলাই। দ্রুত পানি নেমে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হয়েছে। তারপরেও পুরোপুরি ১৫০ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ দাড়িয়েছে ৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা প্রায় দুই হাজার।

কৃষকরা জানান, এ বছর অসময়ের বন্যায় সব ফসল শেষ করে দিয়েছে তাদের। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তা কামনা করছেন তারা।
কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের ধরলা নদীর অববাহিকার কৃষক এরশাদ আলী বলেন, এ বছর আমন আবাদের সময় বৃষ্টি ছিল না। তাই আমরা সেচ দিয়ে জমি তৈরি করে আমন রোপণ করি। পরে কয়েকদিন পর বন্যার পানি এসে আমার ১ বিঘা জমির ফসল নষ্ট করে দিয়ে গেছে। এখনো জমিতে পানি। কি করবো এ জমিতে চিন্তায় বাঁচি না।

আরেক কৃষক তাজুল ইসলাম বলেন, আমারও রোপা আমন ধান তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। পানি তারাতাড়ি নামার কারণে এখন জমিতে মাসকলাই ছিটিয়েছি। আমরা যারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আছি তাদের পাশে যদি সরকার দাঁড়ায় তাহলে ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়া যাবে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, দ্রুত পানি নেমে যাওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কম হয়েছে। তারপরেও যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের তালিকা করা হয়েছে। সরকারিভাবে তাদেরকে সহযোগিতা করা হবে।

ভোরের আকাশ/জাআ

কুড়িগ্রামবন্যা

শেয়ার করুন: