শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কেনার দামও উঠছে না, লোকসানে চামড়া ব্যবসায়ীরা

বাকি বিল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম

প্রকাশ : ২৯ মে ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন কাঁচা চামড়ার আড়তে জমে উঠেছে কেনাবেচা। নগরের আতুরার ডিপো, অক্সিজেন, চকবাজার ও কর্ণফুলী এলাকার আড়তগুলোতে সকাল থেকেই ট্রাক, পিকআপ ও ভ্যানে করে আসছে পশুর চামড়া। পাশাপাশি চলছে চামড়া পরিষ্কার ও সংরক্ষণের কাজ। তবে বাজারে ব্যাপক কার্যক্রম থাকলেও লাভের মুখ দেখছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, ছোট গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। মাঝারি আকারের চামড়ার দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বড় চামড়া বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকায়। অথচ এসব চামড়া সংগ্রহ করতে ব্যবসায়ীদের ব্যয় হয়েছে আরও বেশি।

আতুরার ডিপোতে চামড়া বিক্রি করতে আসা  আবুল কাসেম নামের এক ব্যবসায়ী জানান, গ্রাম থেকে চামড়া কিনে আনতে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে অনেক টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু আড়তে এসে কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। এতে বড় ধরনের লোকসানে পড়তে হচ্ছে।

বাঁশখালী থেকে আসা আরেক মৌসুমি ব্যবসায়ী বলেন, প্রতি বছর ঈদের সময় কিছু লাভের আশায় এই ব্যবসায় যুক্ত হন তারা। কিন্তু বাজারে কম দামের কারণে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিই গুনতে হয়।

আড়তদারদের দাবি, ট্যানারিগুলো থেকে পর্যাপ্ত চাহিদা না থাকায় তারাও বেশি দামে চামড়া কিনতে পারছেন না। এছাড়া সংরক্ষণ খরচও দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।

কাঁচা চামড়া ব্যবসায় সংশ্লিষ্টরা জানান, একটি চামড়া সংগ্রহের পর তা পরিষ্কার, লবণ প্রয়োগ ও সংরক্ষণ করে কারখানায় পাঠাতে উল্লেখযোগ্য খরচ হয়। কিন্তু বাজারমূল্য কম থাকায় ব্যবসায়ীরা ঝুঁকিতে পড়ছেন।

তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দাম কমে যাওয়া এবং ট্যানারি মালিকদের সময়মতো অর্থ পরিশোধ না করায় পুরো খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

প্রতিবছরের মতো এবারও উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ কক্সবাজার অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ কাঁচা চামড়া নগরের আড়তগুলোতে এসেছে। তবে সংরক্ষণ সমস্যা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং দরপতনের কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আরও পড়ুন

সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ বন্ধ

চট্টগ্রামের এক অভিজ্ঞ চামড়া ব্যবসায়ী বলেন, চামড়া দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হলেও এ খাত এখনও সঠিক পরিকল্পনার আওতায় আসেনি। ফলে ছোট ব্যবসায়ীরা আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে চামড়া সংগ্রহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, চামড়ার বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজন সরকারি তদারকি, উন্নত সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়। তা না হলে প্রতিবছরের মতো এবারও ক্ষতির বোঝা নিয়েই ফিরতে হবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের।

ভোরের আকাশ/এম

চট্টগ্রাম

শেয়ার করুন: