শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সেন্টমার্টিনে যেতে না পেরে হতাশ

শীতের শুরুতেই পর্যটকে মুখর কক্সবাজার

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

শীতের শুরুতেই পর্যটকে মুখর হয়ে উঠেছে দেশের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। মিষ্টি রোদ, শান্ত নীল সাগর আর মনোরম আবহাওয়ার টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু। সৈকতের সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টজুড়ে সকাল-সন্ধ্যায় নেমে আসে পর্যটকের ঢল। নানান বয়সী দর্শনার্থীরা ঢেউয়ের তালে, বালুরুচরে ও বিচ-বাইকের শব্দে উপভোগ করেন উৎসবের আমেজ।

রোববার (১৬ নভেম্বর) সেন্টমার্টিনে জাহাজ না চলায় পর্যটকদের হতাশা শীতের মৌসুমে সেন্টমার্টিনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলেও সেখানে যেতে না পারছেন না। যদিও কক্সবাজার–সেন্টমার্টিন নৌরুটে ১ নভেম্বর থেকে জাহাজ চলাচলের অনুমতি থাকলেও রাত্রিযাপনের অনুমতি না থাকায় গত দুই সপ্তাহে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলেনি। এতে দ্বীপের পর্যটননির্ভর অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, “রাত্রিযাপন ছাড়া পর্যটক আসেন না। তাই হোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকান—সবই ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। পুরো দ্বীপের জীবিকা পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। পরিবেশ রক্ষা জরুরি, তবে স্থানীয়দের জীবিকার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।”

বরিশাল থেকে আসা পর্যটক নুর হোসেন মনে করেন, কক্সবাজারে বিনোদনের নতুন কিছু যোগ করার সময় এসেছে। তাঁর ভাষায়, “সমুদ্র দেখতেই মানুষ আসে; কিন্তু এর বাইরে আকর্ষণীয় বিনোদন জোন তৈরি করলে পর্যটক সন্তুষ্টি আরও বাড়বে।”

সিলেটের নওরিন জামান বলেন, “প্রতিবছর আসি, কিন্তু পরিবর্তন কম। বিদেশি পর্যটক আকর্ষণের জন্য পরিকল্পিত উন্নয়ন প্রয়োজন।”

মৌসুমের শুরুতেই পর্যটক বাড়ায় সৈকতপাড়ের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও ফিরছে প্রাণচাঞ্চল্য। ঝিনুক-ভিত্তিক পণ্য বিক্রেতারা জানান, ঝিনুকের চাহিদা কমলেও বিভিন্ন অলংকার ও হস্তশিল্প তৈরি করে নতুন করে আকর্ষণ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

কিটকট ব্যবসায়ী রাব্বি বলেন, শীতের শুরুতে ব্যবসা ভালো যাচ্ছে। সামনে আরও বাড়বে বলে আশা করছি।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল-গেস্টহাউস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিম বলেন, এখন সারাবছরই পর্যটন মৌসুম। পর্যটকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সবাই একযোগে কাজ করছি।

পর্যটকদের নিরাপত্তায় সৈকতের তিনটি পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন ২৭ জন লাইফগার্ড, ৩৮ জন বিচকর্মী ও অর্ধশত স্বেচ্ছাসেবী। ‘সি সেইফ লাইফগার্ড’ প্রকল্পের ফিল্ড টিম ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, পর্যটক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। পানিতে নামা পর্যটকদের ওপর বিশেষ নজরদারি চলছে যেন দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, সমুদ্রসৈকতে আগত প্রতিটি পর্যটকই আমাদের অতিথি। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে কাজ করছে।

ভোরের আকাশ/জাআ

কক্সবাজারপর্যটকসেন্টমার্টিন

শেয়ার করুন: