শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১০ লাখ টাকার চুক্তি দাবির প্রমাণ মেলেনি

নীলফামারীতে চীনা নাগরিককে বিয়ে

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে কর্মরত এক চীনা নাগরিকের সঙ্গে স্থানীয় এক তরুণীর বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক বিয়ে’ সংক্রান্ত দাবির কোনো সত্যতা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী এলাকার বাসিন্দা জুয়েল হোসেনের মেয়ে মাইশা আক্তার জুইয়ের সঙ্গে উত্তরা ইপিজেডে কর্মরত চীনা নাগরিক লিয়াউ জিচুনের কর্মসূত্রে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা গেছে, গত ১০ জুন আদালতে হলফনামার মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন লিয়াউ জিচুন। ধর্মান্তরের পর তার নাম রাখা হয় ‘নুর মোহাম্মদ’। পরে ৩ লাখ ২৫১ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে এবং নগদ ৫ হাজার টাকা পরিশোধের মাধ্যমে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। গত ১৮ জুন পারিবারিক আয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি বিয়ের বিদায় অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে কনেকে আবেগাপ্লুত অবস্থায় কাঁদতে দেখা যাওয়ার পর বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে কিছু ফেসবুক ব্যবহারকারী দাবি করেন, এটি ভালোবাসার বিয়ে নয়; বরং অর্থের বিনিময়ে নির্দিষ্ট মেয়াদের একটি চুক্তিভিত্তিক বিয়ে।

তবে স্থানীয়দের অনেকে এসব দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় যুবক লিটন বলেন, “তারা দুজন ভালোবেসেই বিয়ে করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব কথা বলা হচ্ছে, তার অনেক কিছুই বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই।”

কনের পরিবারের সদস্য ছলেমান হোসেন এ বিষয়ে ফোনে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, প্রয়োজন হলে সরাসরি এসে কথা বলা যেতে পারে।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, “এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আমরা জেনেছি, আদালতের হলফনামার মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে। ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তিন বছরের চুক্তিতে বিয়ের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য বা প্রমাণ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

আরও পড়ুন

জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্ভরযোগ্য তথ্য বা তদন্ত ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত গুজবের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের অনুসন্ধানের ফলাফলের অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

চীনা নাগরিকজিল্লুর রহমান

শেয়ার করুন: