শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে চবি হল নামকরণের দাবি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ আগস্ট ২০২৬, ৪:৩৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রতিষ্ঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাবেক স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট এ.কে.এম ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি আবাসিক হলের নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ‘ছাত্র-অভিভাবক’ সংগঠনের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী।

এ সময় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সঙ্গে এ.কে.এম ফজলুল কাদের চৌধুরীর নাম গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ১৯৬২ সালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালে তিনি চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়টি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখেন।

তারা আরও বলেন, ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের সভায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়। একই বছরের ২৯ আগস্ট তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

বক্তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন। এ কারণে চলতি বছরের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের (১৮ নভেম্বর) আগেই এ.কে.এম ফজলুল কাদের চৌধুরীর নামে একটি হলের নামকরণের দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজনীতিবিদ সাবের সুলতান কাজল, সমাজসেবক মোজাম্মেল হক, সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ মো. তৌহিদুল আলম, সোহেল চৌধুরী, জাকির হোসেন চৌধুরী, মো. হোসেন, জীবন খোন্দকার, নিজাম উদ্দিন চৌধুরীসহ অনেকে।

আরও পড়ুন

মদ্যপায়ী দুই রাশিয়ানের মারামারি, একজনের মৃত্যু আরেকজন হাসপাতালে

এ ছাড়া ছাত্রনেতা নাইম, উদ্দিন মিনহাজ, ইয়াছিন উদ্দিন মাসুদ, মোহাম্মদ ফরহাদ খোন্দকার, জাহেদুল আলম, তৌসিফ চৌধুরী, সাকিব চৌধুরী, রাসেল আল সামির, আরমান, তানভীর পারভেজ চয়ন, ইয়াকুব উদ্দিন আরিফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল ফোরকানের কাছে দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

ভোরের আকাশ/রই 

মোহাম্মদ ফরহাদ খোন্দকার

শেয়ার করুন: