শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

৫৪ বছরে প্রথমবার স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানায়নি জেলা প্রশাসন—ক্ষুব্ধ জামালপুরবাসী

জামালপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও এই প্রথমবারের মতো জামালপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো স্মৃতিস্তম্ভে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়নি।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভ, ফৌতি কবরস্থান ও মহাশ্মশানে শ্রদ্ধা নিবেদন না করায় জেলায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবছর এই দিনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভোরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়ে আসলেও চলতি বছর তার ব্যতিক্রম দেখা গেছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এ ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই এটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের প্রতি অবমূল্যায়ন বলে মন্তব্য করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, “শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের জাতির মেরুদণ্ড। তাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা না জানানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই৷ 

একজন শিক্ষক বলেন, “আলোচনা সভা অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো তো ন্যূনতম দায়িত্ব। এটা না হওয়ায় নতুন প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা যাবে।”

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলীর

সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, “কেন্দ্রীয়ভাবে যে নির্দেশনা পাওয়া গেছে, সেভাবেই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে। নির্দেশনার বাইরে গিয়ে কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি।”

তবে জেলা প্রশাসনের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন অনেকেই। তাদের মতে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা থাকলেও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো একটি রাষ্ট্রীয় ও নৈতিক দায়িত্ব, যা কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

এদিকে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবসে এমন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ সম্মান জানিয়ে সব কর্মসূচি পালন করবেন জেলা প্রশাসন।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

 

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধজামালপুর

শেয়ার করুন: