শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফরিদপুরে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

ফরিদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৫, ৩:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

বাংলাদেশের গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে চোখের রোগ একটি সাধারণ সমস্যা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা জটিলতা তৈরি হলেও দারিদ্র্য, সচেতনতার অভাব এবং চিকিৎসা সেবার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেকেই সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে পারেন না। 

রোববার (২৭ জুলাই) ফরিদপুর সদর উপজেলার চৌরঙ্গীমোড়, ব্র্যাক অফিস চত্বরে আয়োজন করা হয় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প।

“দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার পথ—গ্রামীণ চক্ষু সেবার উদ্যোগ” শিরোনামে আয়োজিত এই ক্যাম্পের মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগণের মাঝে দৃষ্টিশক্তির উন্নয়ন সাধন, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করা।ক্যাম্পে ৪০ বছরের বেশি বয়সী দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। পাশাপাশি নারী, বিধবা, প্রবীণ এবং কৃষি ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট এমন ব্যক্তিদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় যারা দৈনন্দিন কাজে চোখের ওপর নির্ভরশীল। চিকিৎসা ক্যাম্পে বিনা মূল্যে চোখের পরীক্ষা, প্রয়োজন অনুযায়ী চশমা বিতরণ, চোখের রোগ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের রেফার করার ব্যবস্থাও রাখা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ইয়াসির আরাফাত (সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার), মলয় কুমার সরকার (সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার), মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (জোনাল ম্যানেজার, এইচআরডি), মোহাম্মদ ফারুক-ই আজম (জোনাল ম্যানেজার, মাইক্রোফাইন্যান্স), মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান (জোনাল ম্যানেজার, মনিটরিং), মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (রিজিওনাল ম্যানেজার), মোহাম্মদ জামির আলী (ডিভিশনাল কো-অর্ডিনেটর), অখিল কুমার সরকার (এরিয়া ম্যানেজার), অলোক কুমার বিশ্বাস (ব্রাঞ্চ ম্যানেজার), রফিকুল ইসলাম (রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর) ও সুভাষ কুমার সরকার (সিনিয়র অফিসার, অ্যাডমিন)।

বক্তব্যে মলয় কুমার সরকার, ফারুক-ই আজম ও মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ব্র্যাক চায়—সব শ্রেণির মানুষ যেন সহজেই প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা পেতে পারে। এই ক্যাম্প তারই একটি বাস্তব উদাহরণ।”

ব্র্যাক ও মাইক্রোফাইন্যান্স প্রোগ্রামের কর্মকর্তা, স্টার এসএসএল, লিড জেনারেশন টিম এবং স্থানীয় কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ক্যাম্পটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এ প্রোগ্রামে প্রায় ৪০০ রোগী দেখা হয় এবং ২৮০ টি চশমা গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে বলে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

চক্ষু চিকিৎসাক্যাম্পবিনামূল্যেফরিদপুর

শেয়ার করুন: