শিরোনাম
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলারঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

ভাণ্ডারিয়া

নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ টহল

ভান্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গনভোট ২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার প্রতিটি পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে এক কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠ পর্যায়ে মোট ৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ প্লাটুন সরাসরি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও ইউনিয়নে টহল দেবে এবং ১ প্লাটুন সেনাসদস্যকে ‘রিজার্ভ ফোর্স’ হিসেবে রাখা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলায় সহায়তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে র‌্যাব  ১ প্লাটুন, বিজিবি  ১ প্লাটুন, পুলিশ ৫ প্লাটুন এবং আনসার ব্যাটালিয়ার ১ প্লাটুন। এছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে উপজেলায় ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে থেকে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। 

এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা  নির্বাহী কর্মকর্তা  ও সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, ভাণ্ডারিয়ার ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। 

সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করছে। নির্বাচন কেন্দ্রিক কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা, গুজব ছড়ানো বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। 

সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি ও র‌্যাবের টহলও নিয়মিত রয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া মাত্রই যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায় হবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

যৌথ মহড়াআইনশৃঙ্খলা বাহিনীরেহেনা আক্তার

শেয়ার করুন: