ফটিকছড়িতে অসহায়দের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: এমপি সরোয়ার আলমগীর

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি-২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্য সংগ্রহ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে উপজেলার পাইন্দং ও উত্তর ফটিকছড়ির সুয়াবিল ইউনিয়নের নির্ধারিত ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ৩১ দফার আলোকে দেশ পুনর্গঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অসহায় ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোর কল্যাণে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সরোয়ার আলমগীর বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, প্রতিটি অসহায় পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।’ এ উদ্যোগের সুফল যেন প্রকৃত উপকারভোগীরা পান, সে জন্য সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ফ্যামিলি কার্ডকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে সংসদ সদস্য বলেন, কার্ড পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের মতো ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মো. ইব্রাহিম। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজিব আচার্য্য।
রাজিব আচার্য্য জানান, প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচে ফটিকছড়ি ও উত্তর ফটিকছড়ি এলাকার মোট ৩০ জন অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে দুই এলাকার জন্য একজন করে সুপারভাইজার এবং ১৪ জন করে তথ্য সংগ্রহকারী রয়েছেন। পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ব্যাচের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে পাইন্দং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং সুয়াবিল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
ভোরের আকাশ/সু.পা