শ্রীপুরে জেঠার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা নারী

গাজীপুরের শ্রীপুরে জেঠার ধর্ষণে ভাতিজী অন্ত:স্বত্বা হওয়ার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা জানা জানি হলে সাত মাসের ওই নারীর গর্ভপাত ঘটায় অভিযুক্তরা। পড়ে ভিকটিমকে বাবার অজান্তে অন্যত্র গোপন করে রাখে। ঘটনা ধামা চাপা দিতে ওই নারীর গর্ভপাত ঘটানো সাত মাসের শিশুর মরদেহ পোপন করে অভিযুক্তরা। শুক্রবার(২৪এপ্রিল) দুপুরে ভিক্টিমের বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে চলে ঘটনা থামা চাপার চেষ্টা। অভিযুক্তরা হল উপজেলার বাউনী গ্রামের মৃত আহসান উল্লাহর ছেলে আ. সোবাহান(৫০) ও মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৫২)।
সরেজমিনে গিয়ে ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায় , ভিকটিমের বাবা হতদরিদ্র । এক খন্ড সরকারী খাস জমিতে তার বসবাস। তিন বছর আগে তাকে ফেলে চলে গেছেন স্ত্রী। একমাত্র মেয়েকে (২০) নিয়ে তার সংসার। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শ্রীপুর পৌর শহরে রিক্সা চালান বাবা। বাড়িতে একা থাকে মেয়ে। এ সুযোগে ফাঁকা বাড়িতে জেঠা আ. সোবহান অনুমান সাত মাস পূর্বে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। পরে সময় সুযোগ মতো একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করেছে সোবাহান। ধর্ষিত ওই নারী অন্ত:স্বত্বা হয়ে পড়ে। মেয়ের শরীরের অস্বাভাবিক অবস্থা দেখে বিষয়টি আচঁ করতে পারেন বাবা। জানতে পান বড় ভাই অভিযুক্ত সোবাহান এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিষয়টি জানান জানি হলে সোবাহান ঘটনা ধামা চাপা দিতে উঠে পড়ে লাগে। গত ১৮ এপ্রিল অভিযুক্তরা ভিকটিমকে বাড়ি থেকে তুলে নেয়। অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে সাত মাসের সন্তানকে গর্ভপাত ঘটিয়ে মরদেহ গোপন করে। বাবার বাড়ি থেকে ভিকটিমকে অন্যত্র সরিয়ে রাখে।
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত সোবাহান ঘটনা প্রকাশ করলে সাত মাসের অন্ত:স্বত্বা ভিকটিমের গর্ভপাত ঘটিয়ে সন্তানের মরে দেহ গোপন ক রাখে। বাবার বাড়ি থেকে ভিকটিমকে অন্যত্র সরিয়ে রাখে। পালিয়ে যায় সোবাহান।
ভিক্টিমের হতদরিদ্র বাবা অভিযোগ করে বলেন গত ৭ দিন ধরে মেয়ে কোন খোঁজে পাচ্ছিনা। অভিযুক্তরা মেয়েকে অন্য কোথাও গোপনে রেখেছে।বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সোবাহানের বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোন ও বন্ধ রয়েছে । ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক মো. আক্রাম হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়ে দ্রুত সময়ে ঘটনাস্থলে যাই। অভিযুক্তকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। ভিকটিম উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। শ্রীপুর থানার ওসি মোঃ নাসির আহমেদ জানান, অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিনক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভোরের আকাশ/এনউব