শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মান্দায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

নওগাঁর মান্দায় ‘উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম’ (দ্বিতীয় পর্যায়) নির্মাণ প্রকল্পে দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজের অর্ধেকও শেষ হয়নি, উল্টো বালুর পরিবর্তে লাল মাটি দিয়ে মাঠ ভরাট করে সরকারি অর্থের নয়ছয় করার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় প্রশাসনের তদারকি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিজের খেয়ালখুশিমতো নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে দায়সারাভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রকল্পের সাইনবোর্ড অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ ৫ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা চুক্তিমূল্যে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ৯ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও কয়েক দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ব্যয় বাড়ানো হয়েছে আরও ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। অথচ সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের অবকাঠামো এখনো কঙ্কালসার অবস্থায় পড়ে আছে। পুরাতন রড, নিম্নমানের সিমেন্ট ও বালুর ঢালাই দিয়ে দাঁড় করানো হয়েছে গ্যালারি। বর্তমানে নির্মাণ এলাকায় কোনো শ্রমিকের দেখাও মিলছে না।

স্থানীয়দের প্রধান ক্ষোভ মাঠ ভরাট নিয়ে। নিয়ম অনুযায়ী বালু দিয়ে মাঠ ভরাটের কথা থাকলেও সেখানে ব্যবহার করা হচ্ছে লাল মাটি। স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান ও রবিউল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, “মাঠ ভরাট কাজে বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করায় বর্ষাকালে পানি জমে কাদা হয়ে থাকবে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে এই স্টেডিয়াম বানালে আমাদের কোনো লাভ হবে না, বরং খেলার পরিবেশ নষ্ট হবে।”

নির্মাণ কাজের মান নিয়ে স্থানীয় ইউএনও কিংবা উপজেলা প্রকৌশলী কেউই সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছেন না। ইউএনও আখতার জাহান সাথী জানান, এটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাজ, তাই এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জাকিউল্লাহ এন্ড ব্রাদার্সের ম্যানেজার মিলন হোসেনের কাছে সিডিউল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “উপরের নির্দেশে কাজ করছি, এর বাইরে কিছু জানি না।” এমনকি তিনি প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের মুঠোফোন নম্বর দিতেও অস্বীকৃতি জানান।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মকলেছুর রহমান জানান, আগামী জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। মাটি দিয়ে মাঠ ভরাটের বিষয়ে তিনি বলেন, “মাটি দিয়ে মাঠ ভরাটের কোনো সুযোগ নেই। সিডিউল বহির্ভূত কাজ হয়ে থাকলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে এলাকাবাসীর শঙ্কা তদারকি না বাড়লে এই মিনি স্টেডিয়ামটি কেবল কাগজে-কলমেই আদর্শ মাঠ হবে, বাস্তবে তা খেলাধুলার অনুপযোগী এক ‘পরিত্যক্ত অবকাঠামো’য় পরিণত হবে।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

অভিযোগমিলন হোসেন

শেয়ার করুন: