শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল, মানুষের পাশে থাকার দল : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর

প্রকাশ : ১ মার্চ ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, “এই মেডিকেল কলেজে যখন প্রথম অনুষ্ঠান হয়েছিল, সেই দিন আমার থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল। সাবেক মন্ত্রী খুরশীদ জাহান হক চন্দ্রিমা আপা প্রধান অতিথি ছিলেন। আমি তাঁর সাথে বিএমএ-র (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন) মহাসচিব হিসেবে একটা ধানক্ষেতের মধ্যে আমরা এই প্রোগ্রামটি করেছিলাম।”

আজকের এই মেডিকেল কলেজ দেখে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। অত্যন্ত সুন্দর একটি মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস হয়েছে এবং পাশেই টিচিং হসপিটাল হয়েছে। এটা যখন প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়, তখন শহরের অনেক বাইরে ছিল। সদর হাসপাতালের পাশে একটি ভাড়া বাড়িতে প্রথম এই মেডিকেল কলেজ শুরু হয়েছিল। এই মেডিকেল কলেজ আলহামদুলিল্লাহ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন দেওয়ার পরে বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পার করেছে। কারণ বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল। মানুষের দুঃখ, কষ্ট, দুর্দশা—সব সময় মানুষের পাশে থাকার দলের নাম হচ্ছে বিএনপি। কারণ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল অন্য কারো, কিন্তু তারা না দিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু শহীদ জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করে রণাঙ্গন থেকে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন।

সদ্যপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে ড্যাব দিনাজপুর শাখা আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি দিনাজপুর শহরে বড় হয়েছেন এবং এই শহরেই উনার বিয়ে হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে। বিয়ের পর প্রায় ৫ মাস এই শহরেই ছিলেন। দিনাজপুরের উন্নয়নের জন্য শুধু নয়, বাংলাদেশের নারী শিক্ষা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়ার অনন্য অবদান রয়েছে।”

তাঁরই ধারাবাহিকতায় আজকে তারেক রহমান—বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আলহামদুলিল্লাহ, বিএনপির চেয়ারম্যান, উনার নেতৃত্বে বিএনপি আজকে ৩১ দফার প্রথম যেটি ছিল—ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করছে। ইনশাআল্লাহ আপনারা সবাই সহযোগিতা করবেন। এটি ‘ফ্রি অব কস্ট’ হবে, সকলে পাবে, কেউ বাদ যাবে না।

কৃষকদের ১০ হাজার টাকা যে কৃষি ঋণ ছিল, সেই কৃষি ঋণ সুদ-আসলে মওকুফ করা হয়েছে এবং প্রায় ১২ লক্ষ কৃষক উপকৃত হয়েছে। অর্থাৎ বিএনপি যা বলে তা করে। বয়স মাত্র ১০ দিন, ১০ দিনের মধ্যে পারফরম্যান্স যদি হিসাব করেন, আলহামদুলিল্লাহ!

শহীদ জিয়ার প্রোগ্রাম ছিল খাল খনন ও পুনঃখনন। আজকে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই এলাকা মরুভূমিতে রূপান্তরিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সেজন্য খাল খনন, পুনঃখনন করা এবং বৃক্ষরোপণ করা জরুরি। সারফেস ওয়াটার ইউজ করা এবং আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার কম ইউজ করার লক্ষ্যে জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল অনুষ্ঠানে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করার দাবি করলে তার উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “আপনারা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় চাচ্ছেন। আমাদের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি ঠাকুরগাঁওয়ে গিয়েছিলেন। 

বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ হবে, সেটির প্রিলিমিনারি কাজ আলহামদুলিল্লাহ শুরু হয়ে গেছে। দিনাজপুরের মানুষের দাবি করার অধিকার আছে কারণ জনাব তারেক রহমানের নানার বাড়ি হচ্ছে এই দিনাজপুর। দাদার বাড়ি বগুড়া, শ্বশুর বাড়ি সিলেট। কাজেই উনার দায় অনেক বেশি দিনাজপুরের প্রতি। আপনাদের যা দাবি, ইনশাআল্লাহ আমি আপনাদের হয়ে এটি যথাযথ স্থানে পৌঁছে দিব।”

মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনাদের কাছে একটি দাবি— আমরা ভালো ডাক্তার চাই, ভালো নার্স চাই, ভালো প্যারামেডিকস চাই, ভালো হসপিটাল চাই। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের শিক্ষক মন্ডলী আপনারা চিন্তা করবেন যাতে এখান থেকে কোনো রোগীকে অন্য কোথাও রেফার করতে না হয়। চিকিৎসার মান ও পরীক্ষার মান এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও জয়পুরহাটসহ এই অঞ্চলের মানুষ এখানেই আধুনিক সেবা পায়।”

এ সময় ড্যাব দিনাজপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক ডা. মো. হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, মো. সাদিক রিয়াজ চৌধুরী ও মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. শেখ সাদেক আলী।

এর আগে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জনপ্রতিনিধি এবং জেলার সকল দপ্তর প্রধানদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নসহ জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনসমাজকল্যাণ মন্ত্রী

শেয়ার করুন: