সাংবাদিক আকিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে সর্বমহলে নিন্দা

দীর্ঘদিন ধরে বরিশালের আঞ্চলিক পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় পেশাদারত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন আকিব। সাংবাদিকতার পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য গত দুই মাস ধরে নগরীর ‘মেডিনোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ পার্টটাইম চাকরি করছেন তিনি। সেখানে আল্ট্রাসনো ডেস্কের ২১০ নম্বর কক্ষে রোগীদের সেবায় দায়িত্ব পালন করছেন।
আকিবের দাবি, প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সেবা নিতে আসেন। সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সবার ব্যক্তিগত প্রত্যাশা শতভাগ পূরণ করা সম্ভব নাও হতে পারে। এ ধরনের কোনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা আক্রোশ থেকে একটি চক্র ফেইক আইডি ব্যবহার করে তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
নিজের ক্ষোভ ও কষ্টের কথা জানিয়ে সাংবাদিক আকিব বলেন, স্নাতক শেষ করার পর কাঙ্ক্ষিত চাকরি না পেয়ে সাংবাদিকতার পাশাপাশি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। পরিশ্রমের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করাটাই যেন কারও কারও কাছে অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো অনিয়ম থাকলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। তবে ফেইক আইডি ব্যবহার করে পেশাগত ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ইতোমধ্যে অপপ্রচারে ব্যবহৃত আইডিগুলোর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে বলে জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি ব্যবহার করে কারও ব্যক্তি মর্যাদা ও নিরাপত্তার ওপর আঘাতের ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার না চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
একই সঙ্গে সাংবাদিক সমাজ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
তবে সাংবাদিক আকিবের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। প্রকৃত ঘটনা জানতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ ও সুষ্ঠু তদন্তের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সচেতন মহল।
ভোরের আকাশ/সু.পা