শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কুড়িগ্রামে নিজ উদ্যোগে এনসিপির নদী ভাঙন রোধ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৫, ৭:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

কুড়িগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নিজ উদ্যোগে জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে নদী ভাঙন রোধের চেষ্টা করছেন।

সোমবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছাটকালুয়া এলাকায় ধরলা নদীর ভাঙন কবলিত স্থানে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলেন সংগঠনটি।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক ড. আতিক মুজাহিদ।

ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, আমাদের নদী ভাঙে, আমাদের ঘর ভাঙে, আর এক শ্রেণির মানুষ ব্যবসায়ীক চিন্তা করে। তারা মনে করে যতবেশি ভাঙবে, ততবেশি তাদের ব্যবসা ভালো হবে। তাই আমরা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়েছি প্রতীকী প্রতিবাদের মাধ্যমে আমাদের নিজ অর্থায়নে গ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে জিও ব্যাগ ও টিউব ফেলে নদী ভাঙন রোধে আমরা কাজ করবো। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য এলাকাতেও করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি অল্প জিও ব্যাগ দিয়ে প্রচুর পরিমাণে নদী ভাঙন রোধ করতে পারবো না। আমরা বার্তা দিতে চাই, সরকারের যে সিস্টেমের কারণে আজ মানুষগুলো দুর্ভোগের শিকার; এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমরা চাই খুব দ্রুত ভাঙন রোধে সরকারি ভাবে যেন ব্যবস্থা নেয়া হয়।

ড. আতিক বলেন, আমরা কুড়িগ্রামের মানুষ ত্রাণ চাই না, আমরা টেকসই বাঁধ চাই। স্থায়ী ব্যবস্থা চায় এ অঞ্চলের মানুষ। আপনারা যারা বিত্তবান আছেন, তারাও এসে নদী ভাঙন রোধে কাজ করতে পারেন। ৫ কোটি টাকার ত্রাণ চাই না, আপনারা যদি ৫ কোটি টাকার জিও ব্যাগ ফেলেন অসংখ্য বাড়ি রক্ষা করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুড়িগ্রাম জেলা শাখা নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/জাআ

কুড়িগ্রামএনসিপিনদী ভাঙন রোধ

শেয়ার করুন: