শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চাহিদা বেশি, দামও চড়া; কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি

বগুড়ার বাজারে উঠেছে মৌসুমি তাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬, ১:২২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

বগুড়ায় গ্রীষ্মের আগমনের সাথে সাথে বাজারে উঠতে শুরু করেছে সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর মৌসুমি ফল তাল। জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এখন এই ফলের বেচাকেনা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

শহরের সাতমাথা, কাঠালতলা, চেলোপাড়া ও ফতেহ আলী বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার পিস তাল বিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকেই এসব বাজারে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই থাকে। চাহিদা বেশি থাকায় ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতি পিস তাল প্রায় ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

ফতেহ আলী বাজারের ক্রেতা রাশেদা খাতুন বলেন, “গরমের সময় তাল খুবই উপকারী একটি ফল। শরীর ঠান্ডা রাখে এবং পরিবারের জন্য আমরা নিয়মিত কিনে থাকি।”

কাঠালতলা এলাকার বিক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ বছর ফলন ভালো হওয়ায় বিক্রি অনেক ভালো হচ্ছে। তবে সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নত হলে আমরা আরও বেশি লাভবান হতে পারতাম।”

জেলার আদমদীঘি, দুপচাঁচিয়া, আলতাফনগর ও নশরতপুর এলাকায় তালের চাষ তুলনামূলক বেশি হয়। স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এসব এলাকায় এবার ফলন ভালো হয়েছে।

আদমদীঘি উপজেলার এক কৃষক বলেন, “এ বছর ফলন ভালো হয়েছে, তবে বাজারে দাম ও পরিবহন সুবিধা উন্নত হলে আমরা আরও লাভবান হতাম।”

আরও পড়ুন

নীলফামারীতে তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার সমাপনী

কৃষকরা জানান, ফলন ভালো হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট হলেও সংরক্ষণ ও পরিবহন সুবিধা বাড়ানোর দাবি দীর্ঘদিনের।

গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ এই মৌসুমি ফল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এটি একদিকে যেমন ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে, অন্যদিকে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবেও সহায়তা করছে।

ভোরের আকাশ/নি

বগুড়া

শেয়ার করুন: