সাতকানিয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থী আহত, সড়ক অবরোধ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী কারীনা কালাম ঐশি (১৫) নামে এক ছাত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে। এঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে স্কুলে আসার সময় চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে স্কুলের সামনেই এদূর্ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আহত ঐশি (১৫)। উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের প্রবাসী আবু কালামের মেয়ে। জানা গেছে, আহত ঐশি পাঁ'য়ে হেটে স্কুলে প্রবেশ করার সময় কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম দ্রুতগামী একটি মারছা পরিবহন (চট্টমেট্টো-ব ১১-১১৭৬) ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়।এসময় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতাল পরে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে মহাসড়কে সাময়িকভাবে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সাতকানিয়া থানা, দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ এবং সাতকানিয়া আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে তারা শিক্ষার্থীদের আস্বস্ত করে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
এ সময় শিক্ষার্থী'রা বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে মারছা পরিবহন চলাচল বন্ধ করতে হবে এবং স্কুলের সামনে দ্রুত স্পিড ব্রেকার স্থাপন করতে হবে। এলাকাবাসী ও অভিভাবকরাও শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে সাতকানিয়া পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ হোসাইন আল হিশাম মুহাম্মদ জাবেদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা স্কুলের সামনে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে একটি স্পিড ব্রেকার স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আসছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও ঘটতে পারে।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা:(ওসি) মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, স্কুল শিক্ষার্থী আহত হওয়ার পরপর আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোরের আকাশ/র.ই