শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বন্যাদুর্গত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিবারের পাশে মানবিক উদ্যোগ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার একই পরিবারের ১১ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। মানবিক সহায়তার ধারাবাহিকতায় তাদের এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ মোট ১৪ জনের জন্য বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের মধ্যে নতুন পোশাকও বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীনদের খোঁজখবর নেন।

এ সময় রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল শিকদার, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক চিকিৎসাধীনদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং তাদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেন। তিনি ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক বন্যায় রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের কড়াইয়া হাওরসংলগ্ন দক্ষিণ ইসলামপুর গ্রামের একই পরিবারের ১১ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী দীর্ঘ সময় পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করেন। জীবিকার কোনো সক্ষমতা না থাকায় তারা সম্পূর্ণভাবে অন্যের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।

পরিবারটির দুর্দশার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যাকবলিত ওই পরিবারসহ আরও কয়েকটি অসহায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার এবং নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন

অভিযোগ থেকে সেবা, সবই এখন ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে

সেই মানবিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এবার তাদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং নতুন পোশাক বিতরণ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, পরিবারটির চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং জীবনমান উন্নয়নে সরকারি সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভোরের আকাশ/জেআ

মৌলভীবাজারবিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল

শেয়ার করুন: