শিরোনাম
ইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীইউপি ভোট: প্রথম ধাপের তফসিল ১০ ডিসেম্বরডিসেম্বরকে সামনে রেখে অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা চলছে: শ্রমমন্ত্রী১৩ সিটি করপোরেশনে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু সোমবারগার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশসাজেকে দুই পক্ষে ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলি, অবরোধে বন্ধ বড় যান চলাচলঅক্টোবরে রেমিট্যান্স এলো ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক৩ নভেম্বর সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ওয়ান হেলথ ডে উপলক্ষে সিভাসুতে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

ওয়ান হেলথ ডে-২০২৬ উদযাপনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউট গ্রহণ করেছে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও শিক্ষামূলক কর্মসূচি। এরই ধারাবাহিকতায় শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এবারের আয়োজনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

মানুষ, প্রাণী ও প্রকৃতির স্বাস্থ্য যে একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত, সেই বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা যেমন তাদের শিল্পীসত্তা ও কল্পনাপ্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পেয়েছে, তেমনি সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ওয়ান হেলথ বা এক স্বাস্থ্য ধারণা সম্পর্কেও ধারণা লাভ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় কাস্টমস ল্যাবরেটরি স্কুল, চট্টগ্রামের প্রথম থেকে দশম শ্রেণির মোট ১৩৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের বয়স ও শ্রেণি বিবেচনায় এক স্বাস্থ্য ধারণার ওপর ভিত্তি করে তিনটি পৃথক বিষয় নির্ধারণ করা হয়।

প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয় ছিল একজন মানুষের অসুস্থ গরু ও অপরিচ্ছন্ন কুকুর দেখে মন খারাপ হওয়ার একটি চিত্রকল্প। এই পরিস্থিতিকে নিজেদের ভাবনা ও কল্পনার মাধ্যমে ছবিতে ফুটিয়ে তুলতে বলা হয় তাদের।

পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত বিষয় ছিল ‘প্রাণীর চোখে মানুষের পৃথিবী’। আর অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ছবি আঁকার বিষয় হিসেবে পায় ‘২০ বছর পরে তোমার চোখে বাংলাদেশ কেমন হবে?’ শীর্ষক ভাবনানির্ভর বিষয়।

প্রতিটি বিভাগেই শিক্ষার্থীরা নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তির সমন্বয়ে নির্ধারিত বিষয়গুলো চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করে। তাদের আঁকা ছবিতে উঠে আসে মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, বর্তমান বাস্তবতা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা চিন্তাভাবনা। প্রতিযোগিতাকে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজ, পেনসিল, রাবার ও শার্পনার দেওয়া হয়। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের জন্য হালকা নাশতার ব্যবস্থাও রাখা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিভাসুর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন। কাস্টমস ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মেরি দত্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। পুরো আয়োজন পরিচালনায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহযোগিতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং ওয়ান হেলথ ইয়ং ভয়েস, বাংলাদেশের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে অধ্যাপক ড. মো. আহসানুল হক ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সিভাসুতে ওয়ান হেলথ ডে উদযাপনে বিভিন্ন ধরনের বর্ণাঢ্য ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি যুক্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে এক স্বাস্থ্য ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন

শায়েস্তাগঞ্জে টিকিট কালোবাজারির দায়ে রেলওয়ের গেটম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

এ প্রসঙ্গে ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মো. আহসানুল হক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “আমাদের সুস্থ থাকতে হলে নিজেদের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি পরিবেশ ও চারপাশের প্রাণিকুলের স্বাস্থ্যের প্রতিও যত্নশীল হতে হবে। কারণ, মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের স্বাস্থ্য পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই এ বিষয়ে আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরও জ্ঞান অর্জন করা জরুরি।”

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে তারা একটি সুস্থ ও নিরাপদ পৃথিবী গড়ার ক্ষেত্রে সচেতন ভূমিকা পালন করবে।

ভোরের আকাশ/সু.পা

শেয়ার করুন: