শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সীতাকুণ্ডে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু পারাপার হচ্ছেন শিক্ষার্থীসহ দুগ্রামবাসী

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ১:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সীতাকুণ্ডে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে পারাপার হচ্ছেন সহস্রাধিক শিক্ষার্থী‘সহ দু‘গ্রামের অধিবাসীরা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেতুটি সংস্কারে বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিআকর্ষণ করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। যে কোন সময় ভেঙে পড়তে পারে নির্মিত জরাজীর্ণ এ সেতুটি।

এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা জেনেও বিকল্প পথ না থাকায় মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন এ সেতুর উপর দিয়ে গ্রামবাসীদের সাথে চলাচল করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সেতুটি উপজেলার ৫নং বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের চিটাগাং কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (সিসিসি) এর ভেতরে।

৫নং বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ২০০৪ সালে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্প-প্রতিষ্ঠান (সিসিসি) বন্ধ হয়ে যাবার পর বিগত ২০ বছরেও এর ভেতরে থাকা খালের উপরের সেতুটি আর সংস্কার না হওয়ায় সেতুটির কাঠ, লোহার পাত‘সহ সব জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। এ সেতুতে প্রাণ ভয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে আসছে শিক্ষার্থীরা।

সিসিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী মারজানা আকতার জানায়, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রাণ ভয়ে এ সেতু পার হয়ে আসছি। গতবর্ষায় সেতু পার হওয়ার সময় নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয় তাদের সহপাঠী লিয়াকত আলী, শামীম ও নবম শ্রেণির ছাত্র নোমান‘সহ আরো কয়েক জন।

সিসিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সেতুটি সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদবির করেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। সবাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সেতুতে চলাচল করছে। সিসিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার দে বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে রয়েছে ৮ শতাধিক শিক্ষার্থী। কিছুদিন পরপরই আমরা কাঠ দিয়ে সেতুর ভাঙা অংশ মেরামত করে আসছি।

সেতুটি স্থায়ী সংস্কার না হলে এটি ঝুঁকিপূর্ণ থেকেই যাবে। এতে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সংস্কার খুবই জরুরি। চিটাগাং কেমিক্যাল কমপ্লেক্সের এমডি নিতাই চন্দ্র রায় বলেন,
ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি সংস্কারে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন।

ভোরের আকাশ/মো.আ.


 

সীতাকুণ্ডঝুঁকিপূর্ণশিক্ষার্থীচট্টগ্রাম

শেয়ার করুন: