শিরোনাম
ঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীঢামেকে চলছে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগীর স্বজনরাচার দফা কমার পর সোনার ভরিতে বাড়ল ২২১৬ টাকাব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমালেন বলসোনারোবিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দামদেহরক্ষীসহসহ বেলুচ রাজপুত্রকে অপহরণভারতের উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠকবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জীবননগরে রজনীগন্ধা ফুল চাষ করে লাভবান চাষি

জীবননগর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সুগন্ধি ফুল হিসেবে রজনীগন্ধা ফুলের বেশ সুনাম রয়েছে। এটি রাতে ফুটে সুগন্ধি ছড়ায় বলে রজনীগন্ধা নামকরণ করা হয়েছে। বর্তমানে রজনীগন্ধা ফুল একটি সম্ভাবনাময় ও লাভজনক চাষ। চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে রজনীগন্ধা ফুল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন অনেক চাষিরা। এই ফুল দীর্ঘ সময়ের জন্য সৌরভ দিতে পারে যার কারনে যেকোনো রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় সহ সকল অনুষ্ঠানে এই ফুলের বেশ কদর রয়েছে। যার করনে বাজারে রজনীগন্ধা ফুলের বেশ চাহিদা রয়েছে। জীবননগর উপজেলার উথলীতে ৫ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে রজনীগন্ধা ফুল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন আক্তারুজ্জামান যুদ্ধ নামের এক কৃষি উদ্দোক্তা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রজনীগন্ধার বাগান সাদা ফুলে ছেয়ে গেছে। ফুলের মিষ্টি সুবাস ছড়িয়ে পড়েছে চারিপাশে।

ফুল গাছ পরিচর্যা ও দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মহর আলী জানান, রজনীগন্ধা ফুল চাষে খরচ অনেক কম। এটিতে খুব বেশি সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না। একবার লাগালে সারাবছর ফুল পাওয়া যায়। রজনীগন্ধার স্টিক তুলে ফেললে সেখান থেকে আবার নতুন স্টিক গজায়। মাত্র দেড় লক্ষাধিক টাকা খরচ করে ৬ মাসে ৪ লক্ষাধিক টাকার ফুল বিক্রি করা হয়েছে। এই বিক্রি সারাবছর চলবে।

তিনি আরও বলেন, প্রথমদিকে স্টিক তুলে বিক্রি করা হয়েছে।এখন রজনীগন্ধা ফুলের পাপড়ি বা ঝরা তুলে বিক্রি করা হচ্ছে। স্টিকের চেয়ে ঝরা ফুলের চাহিদা বেশি ও লাভজনক। প্রথম দিকে স্টিক ১৫/১৮ টাকা পিচ বিক্রি করা হয়েছে। এবং ঝরা ৩০০-৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। এখন রমজান মাসে ফুলের চাহিদা ও দাম কম যার কারনে ফুল তোলা বন্ধ রাখা হয়েছে। ঈদের পর থেকে আবার তোলা হবে।

জীবননগর কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, রজনীগন্ধা ফুল চাষ করে অল্প সময়ে অধিক লাভ করা যায়।এই ফুল চাষে উৎপাদন খরচ অনেক কম। এটি সারাবছর বিক্রি যায়। সুগন্ধি ছড়ানোর জন্য অনেকেই বসতবাড়ি ও অফিসে ফুলের স্টিক সংরক্ষণ করে রাখে। তাছাড়া যেকোনো অনুষ্ঠানে মালা, পুষ্পস্তবক, বেনী ও বাসরঘর সাজাতে এই ফুলের বেশ কদর রয়েছে। জীবননগর উপজেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে রজনীগন্ধা, গাঁধা, গোলাপ ও চন্দ্রমল্লিকা ফুল চাষ হয়েছে। আগামীতে ফুলের চাষ আরও বৃদ্ধি করতে চাষিদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

জীবননগররজনীগন্ধা ফুল চাষ

শেয়ার করুন: