শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ আগস্ট ‘বন্দর রক্ষা নাগরিক কনভেনশন’ আয়োজনের ঘোষণা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ আগস্ট ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
১৫ আগস্ট ‘বন্দর রক্ষা নাগরিক কনভেনশন’ আয়োজনের ঘোষণা
১৫ আগস্ট ‘বন্দর রক্ষা নাগরিক কনভেনশন’ আয়োজনের ঘোষণা

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) এবং বন্দরের অন্যান্য স্থাপনা দেশি বা বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা না দেওয়ার দাবিতে পদযাত্রা করেছে বন্দর রক্ষা কমিটি। 

একইসঙ্গে আগামী **১৫ আগস্ট সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই হলে** ‘বন্দর রক্ষা নাগরিক কনভেনশন’ আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে আগ্রাবাদের বাদামতলী মোড় থেকে বন্দরমুখী এই পদযাত্রা শুরু হয়। বারিক বিল্ডিং মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ কর্মসূচিতে বাধা দেয়। এরপর সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।

সমাবেশে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের স্বার্থ রক্ষায় আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করতে শ্রমিক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে ১৫ আগস্ট ‘বন্দর রক্ষা নাগরিক কনভেনশন’ অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সম্পদ ও দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

পদযাত্রার আগে বাদামতলী মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার এবং সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।

সমাবেশে বক্তব্য দেন শ্রম সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য তপন দত্ত, বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, বাসদ (মার্ক্সবাদী) নেতা দীপা মজুমদার, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, শ্রমিক নেতা আব্দুল বাতেন, ইব্রাহীম ফরাজী, শফিকুর রহমান মজুমদার, আব্দুর রহিম, মো. মিজানুর রহমান ও আব্দুল মন্নানসহ বিভিন্ন শ্রমিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রধান প্রবেশদ্বার এবং জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এই বন্দরের ব্যবস্থাপনা বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদেশি বা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে গেলে তা দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

তপন দত্ত বলেন, বন্দরের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে উন্নয়নের নামে জাতীয় সম্পদ ইজারা দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তিনি আরও বলেন, বন্দরের সঙ্গে লাখো শ্রমিক, কর্মচারী, পরিবহন শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবিকা জড়িত। তাই জাতীয় স্বার্থ ও শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন করে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের জনগণের সম্পদ। শ্রমিকদের মতামত উপেক্ষা করে বন্দরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের কোনো উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য হবে না। প্রয়োজন হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে এ ধরনের সিদ্ধান্ত প্রতিহত করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

তসলিম হোসেন সেলিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের চেষ্টা হলে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন।

বক্তারা আরও বলেন, বন্দরের উন্নয়নের জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, অবকাঠামো উন্নয়ন, দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর করা জরুরি। তবে রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে হবে।

আরও পড়ুন

আগস্টে তাপপ্রবাহ ও বন্যার শঙ্কা

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা ‘বন্দর বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’, ‘এনসিটি-সিসিটি ইজারা দেওয়া চলবে না’, ‘জাতীয় সম্পদ রক্ষায় জনগণ ঐক্যবদ্ধ’ এবং ‘বন্দর রক্ষার আন্দোলন সফল করো’ এসব স্লোগানসংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে বন্দর অভিমুখে পদযাত্রা করেন।

ভোরের আকাশ/রই 


 

কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার

শেয়ার করুন: