শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ছাত্রসংকট ও শ্রেণিকক্ষ সংকটে ধুঁকছে গারাংগিয়া আহমদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া  উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ৯৭নং গারাংগিয়া আহমদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বর্তমানে ছাত্রসংকট ও অবকাঠামোগত সমস্যায় ধুঁকছে। ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে একসময় শত শত শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখর থাকলেও বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৫৬ জনে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে স্কুলটিতে শিক্ষক রয়েছেন ৪ জন এবং একজন দপ্তরি কর্মরত আছেন। তবে শ্রেণিকক্ষ রয়েছে মাত্র ৩টি। কক্ষ সংকটের কারণে দুই শিফটে পাঠদান চালিয়ে যেতে হচ্ছে। এমনকি জায়গার অভাবে অফিস কক্ষের ভেতরেও শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ইমরানুল হক জানান, “আমি ২০০৬ সালে এই বিদ্যালয়ে যোগদান করি। তখন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৫৬ জন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে তা কমে বর্তমানে মাত্র ৫৬ জনে দাঁড়িয়েছে।”

আরও পড়ুন

বোহেমিয়ান লুকে মুগ্ধতা ছড়ালেন সাবিলা নূর

তিনি আরও বলেন, করোনাকালীন সময়ে দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের পার্শ্ববর্তী নূরানী মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেন। এরপর থেকেই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমতে শুরু করে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিদ্যালয়টিকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার্থী বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ভোরের আকাশ/এনউব     

ছাত্রসংকট ও শ্রেণিকক্ষ সংকটে

শেয়ার করুন: