শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে সাজানো অপহরণ মামলায় মিথ্যা স্বাক্ষ্য দেওয়ায় ৪ স্বাক্ষীর কারাদন্ড

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৫ মে ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সাজানো অপহরণ মামলায় মিথ্যা স্বাক্ষ্য দেওয়ায় চার ব্যক্তিকে ১০ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড ও অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ ইকবাল হোসেন এই কারাদন্ড প্রদান করেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, শাহজাদপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের  মৃত কাজেম উদ্দিনের ছেলে কাশেম আলী, মৃত দানেজ আলীর ছেলে আকবর আলী, মৃত সবির উদ্দিন ছেলে আছের উদ্দিন ও দেলবর হোসেনের স্ত্রী বছিরুন্নেছা।

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হাদীউজ্জামান শেখ হাদী মামলার বরাদ দিয়ে বলেন, ১৯৯০ সালের ১৮ জুলাই শাহজাদপুর উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মন্ডলের ছেলে হিমুর সাথে পার্শ্ববর্তী কাশিনাথপুর গ্রামের দেলবর খন্দকারের ছেলে আরমানের মারামারি হয়। এনিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে দেলবর খন্দকার তার ছেলে আরমানকে টাঙ্গাইলে তার ফুপুর বাড়িতে লুকিয়ে রেখে ৬ জনের বিরুদ্ধে অপহরন মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মন্ডল তার ভাই ইমাম মন্ডল এবং আমির হোসেন মন্ডলের দুই ছেলে বাবু মন্ডল ও  হিমু মন্ডলকে ১০ বছর করে কারাদন্ড দেয় আদালত। এই চার জন কারাভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লুকিয়ে রাখা (অপহ্নত) আরমানকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে ২০০৯ সালে গোপন সুত্রে জানতে পারে আরমান পাবনা জেলার চাটমোহরে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসেছে। পরে বিষয়টি পাবনা র‌্যাব অফিসে জানালে র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে আরমানকে আটক করে।

আরও পড়ুন

বাগেরহাটে গণতন্ত্রে সাংবাদিকের ভূমিকা শির্ষক কর্মশালা

সাজানো মিথ্যা অপহরণ মামলা দায়ের করায় কারাভোগকারি বাবু মন্ডল বাদী হয়ে অপহরণ মামলার বাদী ও স্বাক্ষী সহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

অপহরন মামলার বাদী ও ভিকটিম মৃত্যু বরন করায় মিথ্যা স্বাক্ষ্য দেওয়ায় আজ মঙ্গলবার চার স্বাক্ষীকে ১০ বছর করে কারাদন্ড প্রদান করে আদালত।

ভোরের আকাশ/এনউব

৪ স্বাক্ষীর কারাদন্ড

শেয়ার করুন: