শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাদুল্লাপুরে ভাই-ভাতিজাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ গেল চাচার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৪ জুলাই ২০২৫, ৯:৩৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সাদুল্লাপুরে ভাই-ভাতিজাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ গেল চাচার
সাদুল্লাপুরে ভাই-ভাতিজাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ গেল চাচার

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বসতভিটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ভাই-ভাতিজাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আদা চন্দ্র দাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৪ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের দশলিয়া গ্রামের রায়পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আদা চন্দ্র দাস ওই গ্রামের কার্ত্তিক চন্দ্র দাস ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত বসতভিটার সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বড় ভাই নৃপেন চন্দ্র দাসের সাথে আদা চন্দ্র দাসের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) নৃপেন চন্দ্র দাস এই বসতভিটায় আদা চন্দ্র দাসের বাড়ির সীমানা ঘেষে একটি টয়লেট নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এসময় আদা চন্দ্র দাস বাধা দেয়। এতে দুই ভাইয়ের মধ্যে তুমুল বাগবিতন্ডা হয়।

আরও জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে আদা চন্দ্র দাস বাড়ির সামনে ছাগল চড়াতে যায়। সুযোগবুঝে নৃপেন চন্দ্র দাস ও তার দুই ছেলে শঙ্খরাজ দাস এবং সত্যন্দ্রনাথ দাস তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে শুরু করে।

এসময় তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে চলে আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহত আদা চন্দ্র দাসের স্ত্রী ঝলমলি দাস বলেন, আমার স্বামীকে তার ভাই-ভাতিজারা পরিকল্পিতভাবে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সাদুল্লাপুর থানার ওসি তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, রাধানাথের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলমান আছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

ভোরের আকাশ/জাআ

গাইবান্ধা

শেয়ার করুন: