সাংস্কৃতিক চেতনার মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে: বাদশা এমপি

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, শিশুদের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কারণ, শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সাংস্কৃতিক চেতনার মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সাংস্কৃতিক কর্মীরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করেন। বর্তমান সরকার সৃজনশীল চর্চাকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন পাঠ্যক্রমের সঙ্গে তা সম্পৃক্ত করেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের রোমেনা আফাজ মুক্তমঞ্চে দুই দিনব্যাপী দ্বিতীয় ‘সৃজননন্দন উৎসব-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দ্বিতীয়বারের মতো এ উৎসব আয়োজন করায় তিনি আয়োজক সংগঠনকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। এতে সভাপতিত্ব করেন উৎসবের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট পলাশ খন্দকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন উৎসবের সদস্যসচিব সোবহানী বাপ্পী।
উৎসবে শিল্প ও সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আয়োজনের প্রথম দিন সাহিত্যে বজলুল করিম বাহার, সাংবাদিকতায় মোজাম্মেল হক লালু, নৃত্যে (মরণোত্তর) আব্দুস সামাদ পলাশ, শিক্ষকতায় প্রকৌশলী সাহাবুদ্দীন সৈকত এবং নাটকে এ.টি.এম. নজরুল ইসলামকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
শুক্রবার উৎসবের দ্বিতীয় দিনে সংগীতে তৌফিকুল আলম টিপু, চিত্রকলায় হেলেনা খানম ইরানী, শিশু সংগঠনে পলাশ খন্দকার এবং আবৃত্তিতে শরীফ মজুমদারকে সম্মাননা দেওয়ার কথা রয়েছে।
‘আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে’ স্লোগানে আয়োজিত এ উৎসবের প্রথম দিনে হিন্দোল একাডেমি ও ভোর হলো সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে। দ্বিতীয় দিনেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও দল অন্যরকমের পরিবেশনা রয়েছে।
হিন্দোল একাডেমির আয়োজনে এবং ভোর হলো সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়, বগুড়া ও দল অন্যরকমের সহযোগিতায় এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
ভোরের আকাশ/এনএস