শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাল খনন শেষে উদ্বৃত্ত ৭৯ লাখ ৬১ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ : ১ আগস্ট ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দু'টি খাল পুনঃখনন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করে ব্যয় সাশ্রয়ের মাধ্যমে ৭৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে খাল পুনঃখননের ফলে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তিন ফসল উৎপাদনের নতুন আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সিনাই নদীর ৬ কিলোমিটার অংশ পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা এবং জিয়াখালের ৪ কিলোমিটার অংশ পুনঃখননের জন্য ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্প দুটি নির্ধারিত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের পর মোট ৭৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা উদ্বৃত্ত থাকে। সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় সিনাই নদীর তীরে ৩ হাজার ২০০টি এবং জিয়াখালের তীরে ২ হাজার ২০০টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়েছে। ফলে জলাধার সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ।

খাল পুনঃখনন কাজ সার্বক্ষণিক তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তারা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন পর খালগুলোয় পানি সংরক্ষণের সক্ষমতা ফিরে এসেছে। এতে সেচ সংকট কমবে, আবাদি জমিতে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাবে এবং বছরে তিনটি ফসল উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে কৃষি উৎপাদন ও কৃষকের আয়- দুই-ই বাড়বে বলে তারা আশা করছেন।

আরও পড়ুন

গরমে জাহান্নামের কথা স্মরণ, তৃষ্ণার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সাশ্রয় নিশ্চিত করে গুণগত মান বজায় রেখেই প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অব্যয়িত ৭৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। খাল পুনঃখননের সুফল স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘদিন ভোগ করবেন এবং এটি কৃষি ও পরিবেশ- উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করেন, অতিরিক্ত সরকারি টাকা খরচ করা মানে দেশের অর্থনীতিকে নষ্ট করে দেয়া। এক্ষেত্রে ৭৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি খুবই ইতিবাচক। মানুষ এটা থেকে শিক্ষা নিতে পারবে; যা দেশ এবং সুন্দর জাতি গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

ভোরের আকাশ/এনউব

জমা

শেয়ার করুন: