ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩৯৪

দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৯৪ জন।
শনিবার (১৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৬১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) আটজন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয়জন এবং রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৮ জন রয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় ৩৭১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১৫ হাজার ৪৮৮ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরের ১৯ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১৬ হাজার ৭৮৯ জন। এর মধ্যে ৫৮.৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৪১.৪ শতাংশ নারী রয়েছে।
এদিকে, বেশ কয়েক বছর ধরে দেশে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কীটতত্ত্ব ও রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, মশা নির্মূল ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্যান্য ব্যবস্থা ও কৌশলের পাশাপাশি মশা পরীক্ষা এবং গবেষণাগারও প্রয়োজন। এতে করে স্থানীয় প্রজাতির মশার জিনগত বৈশিষ্ট্য, আচরণ ইত্যাদি বোঝার মাধ্যমে মশা নির্মূল ও রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। তবে এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিতে সরকারের অগ্রাধিকার নেই।
ভোরের আকাশ/এসএইচ