শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভোরের আকাশ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর আসাদগেট থেকে শ্যামলী রিং রোড এলাকার সব ক্লিনিক আগামী সাত দিনের মধ্যে পরিদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে এই তদারকি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবহেলা সহ্য করা হবে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এই কার্যক্রম চলবে। কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। আমরা এখন ধরেছি আসাদগেট থেকে শ্যামলী রিং রোড পর্যন্ত। এই এলাকায় যতগুলো ক্লিনিক আছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে সবগুলো আমরা পরিদর্শন করব। যেখানে যে অনিয়ম আছে, আমরা অ্যাকশনে যাব। আমাদের উদ্দেশ্য কিন্তু বন্ধ করে দেওয়া না বা কাউকে সাজা দেওয়া না– উন্নত সেবাটা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। জনগণ যাতে ভালো স্বাস্থ্যসেবা পায়, এটা নিশ্চিত করাই আমাদের পরিদর্শনের লক্ষ্য।’

অ্যাকশন বা ব্যবস্থার ধরন স্পষ্ট করে মন্ত্রী বলেন, যেখানে সেবার মান উন্নত করার সুযোগ আছে, সেখানে তা করা হবে। তবে গভীর অবহেলা দেখা গেলে অফিশিয়ালি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ‘পরিদর্শন শুরু হলে বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো সাবধানতা অবলম্বন করবে। সিভিল সার্জন ও স্থানীয় ইউএইচএফপিওদের (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা) মাধ্যমে দেশব্যাপী আমরা পরিদর্শন করব। শুধু ঢাকায় করলে হবে না; দেশের মানুষ তো বেশির ভাগ গ্রামে থাকে, তাদের জন্যও করতে হবে। এটা সাময়িক কোনো উদ্যোগ নয়, আমরা এই কার্যক্রম চালিয়ে যাব।’

কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে– এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ত্রুটি সংশোধনের জন্য প্রথমে নোটিশ দেওয়া হবে। যন্ত্রপাতির অভাব থাকলে সেগুলো সংগ্রহের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন (লাইসেন্স) পেতে ও নবায়ন করতে যেসব শর্ত পূরণ করা আবশ্যক, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেগুলো হালনাগাদ করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হবে।

অনিয়ম করে কেউ রক্ষা পাবে না জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের স্বাস্থ্যসেবাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে কারও ব্যক্তিগত সুবিধার কারণে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে আমরা ক্লিনিক খোলা রাখব, এটা অসম্ভব। যেটা বলেছি, এটাই হবে। আমাদের কেউ কিনতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী এসব ব্যাপারে আমাদের একেবারে শূন্য সহিষ্ণু হতে বলেছেন এবং আমরা তা-ই করব।’

ভোরের আকাশ/এনএস

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শেয়ার করুন: