শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনিয়মিত মাসিক কেন হয়? মত জানালেন ডা. তাসনিম জারা

ভোরের আকাশ ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৫, ৬:১০ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
অনিয়মিত মাসিক কেন হয়? মত জানালেন ডা. তাসনিম জারা
অনিয়মিত মাসিক কেন হয়? মত জানালেন ডা. তাসনিম জারা

নারীদের জীবনে মাসিক বা ঋতুচক্র একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। সাধারণত ২১ থেকে ৩৫ দিন অন্তর নিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে। তবে অনেক সময় এই চক্রে ব্যাঘাত ঘটতে পারে, যাকে অনিয়মিত মাসিক বলা হয়। এটি শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

এই বিষয়ে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক সংগঠন ‘সহায় হেলথ’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ডা. তাসনিম জারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিওতে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

অনিয়মিত মাসিকের সম্ভাব্য কারণ:
অনিয়মিত মাসিকের পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। কিছু কারণ সাময়িক এবং সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য হলেও, কিছু ক্ষেত্রে এটি অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য জটিলতার ইঙ্গিতও হতে পারে।

১. মানসিক চাপ:
চিন্তা, উদ্বেগ বা মানসিক অস্থিরতা শরীরের হরমোনে প্রভাব ফেলে, যা মাসিক চক্রকে ব্যাহত করতে পারে।

২. ওজনজনিত সমস্যা:
অতিরিক্ত স্থূলতা কিংবা অতিরিক্ত কম ওজন—উভয়ই হরমোনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে, যা মাসিক অনিয়মিত হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৩. অতিরিক্ত পরিশ্রম বা ব্যায়াম:
বিশেষ করে পেশাদার অ্যাথলেট বা যারা প্রতিদিন অত্যধিক ব্যায়াম করেন, তাদের ক্ষেত্রে মাসিক বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা অনিয়মিত হয়ে পড়ে।

৪. অনিয়মিত বা অপুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস:
হঠাৎ করে ডায়েট পরিবর্তন, পুষ্টিহীনতা বা অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসও মাসিক চক্রকে প্রভাবিত করে।

শারীরিক কিছু সমস্যাও অনিয়মিত মাসিকের কারণ হতে পারে:
- হরমোনের ভারসাম্যহীনতা:
ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা ওঠানামা করলে ঋতুচক্র বিঘ্নিত হয়। এটি বয়ঃসন্ধিকালে, সন্তান জন্মের পর এবং মেনোপজের আগে স্বাভাবিকভাবেই দেখা যায়।

- পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS):
এই হরমোনজনিত সমস্যা ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি করে, যার ফলে মাসিক অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এছাড়া ওজন বৃদ্ধি, ব্রণ এবং অতিরিক্ত লোমের সমস্যাও দেখা দেয়।

- থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা:
থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য কমে গেলে (হাইপোথাইরয়েডিজম) কিংবা বেড়ে গেলে (হাইপারথাইরয়েডিজম) তা মাসিক চক্রকে প্রভাবিত করতে পারে।

- ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:
জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, থাইরয়েড চিকিৎসার ওষুধ, মানসিক বিষণ্নতার ওষুধসহ কিছু নির্দিষ্ট ঔষধ মাসিক চক্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

- জরায়ু ফাইব্রয়েড:
জরায়ুতে থাকা স্নেহাশক্ত টিউমার (ফাইব্রয়েড) অতিরিক্ত রক্তপাত বা অনিয়মিত মাসিকের কারণ হতে পারে।

- জরায়ু বা ডিম্বাশয়ের রোগ:
এন্ডোমেট্রিওসিস, সংক্রমণ বা কাঠামোগত কোনো অসঙ্গতিও মাসিক চক্রে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

 

ভোরের আকাশ/হ.র

শেয়ার করুন: