শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘সিকাডা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- সংগৃহীত
ছবি- সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে করোনাভাইরাসের একটি ভ্যারিয়েন্ট, যার অনানুষ্ঠানিক নাম দেওয়া হয়েছে ‘সিকাডা’। বৈজ্ঞানিকভাবে এটি BA.3.2 নামে পরিচিত। অস্বাভাবিক উচ্চসংখ্যক মিউটেশনের কারণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই ভ্যারিয়েন্টে প্রায় ৭৫টি জিনগত পরিবর্তন রয়েছে, যার বড় অংশই স্পাইক প্রোটিনে ঘটেছে। এই স্পাইক প্রোটিনের মাধ্যমেই ভাইরাস মানবদেহের কোষে প্রবেশ করে। গবেষকদের ধারণা, দীর্ঘ সময় নজরদারির বাইরে থেকে নীরবে বিবর্তিত হওয়ার কারণেই এটিকে ‘সিকাডা’ নামে ডাকা হচ্ছে।

২০২৪ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তেমনভাবে চোখে না পড়লেও ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের শুরু থেকে এটি বিভিন্ন দেশে ধরা পড়তে শুরু করে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক অঙ্গরাজ্যসহ অন্তত ২২টি দেশে এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

ল্যাবরেটরি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই ভ্যারিয়েন্টের ইমিউন এস্কেপ ক্ষমতা তুলনামূলক বেশি। অর্থাৎ, আগে সংক্রমণ বা টিকার মাধ্যমে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডিকে কিছুটা এড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা থাকতে পারে। তবে এখনো এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে এটি বিদ্যমান টিকাকে পুরোপুরি অকার্যকর করে দেয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। যদিও ভ্যারিয়েন্টটিতে ব্যাপক মিউটেশন রয়েছে, তবে এর সংক্রমণ হার এখনো তুলনামূলকভাবে কম এবং এটি পূর্ববর্তী ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় বেশি গুরুতর অসুস্থতা সৃষ্টি করছে এমন তথ্যও এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আক্রান্তদের বেশিরভাগই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

সব মিলিয়ে, ‘সিকাডা’ ভ্যারিয়েন্টটি নজরদারির মধ্যে রাখা হলেও এটি এখনো বড় ধরনের হুমকি হয়ে ওঠেনি। তবে ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিলেও অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার কথাই বলছেন। 

ভোরের আকাশ/আ.র
 

সিকাডা

শেয়ার করুন: