কোলন ক্যানসার: সচেতন থাকুন, সময়মতো শনাক্ত করুন

শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ক্যানসার হতে পারে, কিন্তু অনেক সময় উপেক্ষিত থেকে যায় কোলন ক্যানসার। এটি মূলত বৃহদান্ত্র বা কোলনে শুরু হয়, তবে রেকটামেও দেখা যেতে পারে। প্রাথমিক অবস্থায় লক্ষণ কম থাকায় অনেকেই এই রোগ সম্পর্কে সচেতন নন।
কোলন ক্যানসারের ধরন:
Adenocarcinoma: সবচেয়ে সাধারণ; কোলন বা রেকটামের শ্লেষ্মা কোষে শুরু হয়।
অন্যান্য ধরনের টিউমার: লিম্ফোমা, কারসিনয়েড, সারকোমা, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল স্ট্রোমাল টিউমার।
স্টেজ অনুযায়ী ক্যানসার:
স্টেজ ০: কেবল অন্তরের ভিতরের স্তরে সীমাবদ্ধ।
স্টেজ ১: কোলনের মিউকোসা ও মাংসপেশিতে ছড়িয়েছে।
স্টেজ ২: পাশের টিস্যুতে ছড়িয়েছে, লিম্ফ নোডে নয়।
স্টেজ ৩: লিম্ফ নোডে ছড়িয়েছে।
স্টেজ ৪: লিভার, ফুসফুস বা অন্য অঙ্গে ছড়িয়েছে।
উপসর্গ:
কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
পায়খানায় রক্ত বা আকারে পরিবর্তন
ওজন হ্রাস, পেট ব্যথা
অতিরিক্ত ক্লান্তি
পায়খানা সম্পূর্ণ না হওয়ার অনুভূতিতে সমস্যা
ঝুঁকির কারণ:
জেনেটিক মিউটেশন বা বংশগত সমস্যা (যেমন FAP, Gardner’s Syndrome, Lynch Syndrome)
বয়স ৫০ বছরের বেশি
আগে পলিপ বা অন্ত্রের রোগ থাকা
পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস
সচেতনতা ও প্রতিরোধ:
কোলন ক্যানসার ধীরে ধীরে ছড়ায়। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে অপারেশনের মাধ্যমে পুরো ক্যানসার সরানো সম্ভব। নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং সচেতন থাকার মাধ্যমে জটিলতা অনেকটাই এড়ানো যায়।
পরামর্শ: ৩ সপ্তাহের বেশি সময়ে কোনো উপসর্গ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ভোরের আকাশ//হ.র