শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ নিয়ম ও খাবারগুলো

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ নিয়ম ও খাবারগুলো
অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখার সহজ নিয়ম ও খাবারগুলো

অ্যাজমা রোগীদের জন্য শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ এবং নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া সাধারণ সমস্যা। অনেকেই ধুলাবালি, ঠান্ডা খাবার বা ধূমপান এড়িয়ে চলেন, কিন্তু কম পরিচিত বিষয় হলো—খাবারও অ্যাজমার উপসর্গ বাড়াতে বা কমাতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ করতে সাহায্য করে, আবার কিছু খাবার উপসর্গ তীব্র করতে পারে।

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাবার
অ্যাজমার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডায়েট নেই, তবে কিছু পুষ্টিকর খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ করে। প্রতিদিনের খাবারে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে:

ভিটামিন সি: কমলা, স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম, ব্রোকলি

ভিটামিন ই: সূর্যমুখীর বীজ, বাদাম, অ্যাভোকাডো

ভিটামিন এ ও বিটা-ক্যারোটিন: গাজর, পালং শাক, মিষ্টি আলু

ভিটামিন ডি: ডিম, সালমন মাছ, ফোর্টিফায়েড দুধ, কমলার রস

প্রাকৃতিক উপাদানসমৃদ্ধ খাবার

সেলেনিয়াম: ব্রাজিল বাদাম, মাছ, ডিম

ম্যাগনেশিয়াম: ডার্ক চকলেট, কুমড়ার বীজ, অ্যাভোকাডো, টফু

এড়িয়ে চলার মতো খাবার
অ্যাজমার উপসর্গ বাড়াতে পারে এমন কিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত:

সালফাইটযুক্ত খাবার: শুকনো ফল, বোতলজাত লেবুর রস, আচার, ওয়াইন

গ্যাস সৃষ্টিকারী খাবার: বাঁধাকপি, পেঁয়াজ, কার্বনেটেড ড্রিংক

সালিসাইলেট সংবেদনশীলতা থাকলে: কফি, চা, কিছু মশলা

প্রক্রিয়াজাত ও ফাস্ট ফুড: প্যাকেটজাত খাবার, জাংক ফুড

অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী খাবার: গম, দুধ, সামুদ্রিক মাছ, বাদাম (যদি অ্যালার্জি থাকে)

অ্যাজমা ও ওজন
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা ফুসফুসের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, ফলে অ্যাজমার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সমাধান:

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)

খাবারে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণ

পর্যাপ্ত পানি পান এবং ঠিক ঘুমের সময়সূচি

গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়ম

সবসময় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলুন

খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন

কোনো ওষুধ কখনোই নিজে থেকে বন্ধ করবেন না

খাদ্য শুধুই সহায়ক, অ্যাজমার মূল চিকিৎসা হলো ওষুধ

উপসংহার:
অ্যাজমা থাকলে শুধু ইনহেলার নয়, খাওয়ার বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে। শাকসবজি, ফলমূল, স্বাস্থ্যকর প্রোটিন এবং পর্যাপ্ত ভিটামিন-খনিজ সমৃদ্ধ খাবার রাখলে শ্বাস-প্রশ্বাস সহজ হবে। অন্যদিকে ফাস্ট ফুড, বোতলজাত খাবার ও অ্যালার্জি বাড়ানো খাবার বাদ দিলে অনেক স্বস্তি মিলবে। স্বাস্থ্যকর খাদ্য মানে শুধু সুস্থ থাকা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনকে স্বাভাবিকভাবে উপভোগ করার সুযোগ।

সূত্র: হেলথলাইন

ভোরের আকাশ//হ.র

স্বাস্থ্য

শেয়ার করুন: