শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

হাই ব্লাড প্রেশার: জানা জরুরি বিষয়গুলো

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৫, ২:২৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
হাই ব্লাড প্রেশার: জানা জরুরি বিষয়গুলো
হাই ব্লাড প্রেশার: জানা জরুরি বিষয়গুলো

হৃদয় যখন রক্তকে ধমনির মাধ্যমে প্রবাহিত করে, তখন রক্তের চাপ কতটা হচ্ছে তা সাধারণত রক্তচাপ হিসেবে মাপা হয়। যদি এই চাপ দীর্ঘদিন ধরে বেশি থাকে, তখন তা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন নামে পরিচিত।

**হাই ব্লাড প্রেশার কী**

ধমনির সংক্রমণ বা সংকোচনের কারণে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়। হৃদয়কে বেশি শক্তি ব্যবহার করে রক্ত পাম্প করতে হয়, ফলে রক্তচাপ বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি হার্ট, মস্তিষ্ক, চোখ ও কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে ক্ষতি করতে পারে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন।

**রক্তচাপের মান**

স্বাভাবিক: 120/80 mm Hg এর নিচে

উচ্চ রক্তচাপের শুরু: 120–129 / 80 এর নিচে

প্রাথমিক হাইপারটেনশন: 130–139 / 80–89 mm Hg

সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন: 140+/90+ mm Hg

হাইপারটেনসিভ ক্রাইসিস: 180+/120+ mm Hg (বিপজ্জনক; বুকব্যথা, মাথাব্যথা বা শ্বাসকষ্টের সঙ্গে হলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন)

উচ্চ রক্তচাপের কারণ

প্রাথমিক হাইপারটেনশন: ধীরে ধীরে তৈরি হয়, যা হতে পারে:

**পারিবারিক ইতিহাস বা জেনেটিক কারণ**

বেশি বয়স (৬৫+)

স্থূলতা বা ওবেসিটি

অতিরিক্ত লবণ বা অ্যালকোহল খাওয়া

শারীরিক পরিশ্রমের অভাব

ডায়াবেটিস বা মেটাবলিক সিনড্রোম

সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন: দ্রুত হয়, অন্য কোনো রোগের কারণে। যেমন:

কিডনি সমস্যা

স্লিপ অ্যাপনিয়া

থাইরয়েড বা অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ডের সমস্যা

নির্দিষ্ট ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

**লক্ষণ**

প্রাথমিকভাবে লক্ষণ দেখা যায় না। তবে রক্তচাপ অনেক বেড়ে গেলে দেখা দিতে পারে:

মাথাব্যথা

বমি বা বমিভাব

চোখে ঝাপসা দেখা

বুক বা পিঠে ব্যথা

শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

**হাইপারটেনশনের ক্ষতিকর প্রভাব**

স্ট্রোক

হার্ট অ্যাটাক

হার্ট ফেইলিওর

কিডনি নষ্ট

চোখের দৃষ্টি হ্রাস

যৌন সমস্যা

স্মৃতি ও ব্রেইনের সমস্যা

গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ

কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে পারে

শিশুর ওজন কম হতে পারে

প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়ার ঝুঁকি

চিকিৎসা ও প্রতিরোধ

স্বাস্থ্যকর খাবার: ফল, সবজি, মাছ

নিয়মিত ব্যায়াম (সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট)

ওজন নিয়ন্ত্রণ

স্ট্রেস কমানো

ধূমপান ও অ্যালকোহল কমানো

সেকেন্ডারি হাইপারটেনশনের ক্ষেত্রে মূল রোগের চিকিৎসা

উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে করণীয়

প্রতিদিন খাবারের অন্তত ৫০–৬০ ভাগ ফল ও সবজি খান

অতিরিক্ত লবণ ও চিনি কম খাওয়া

নিয়মিত রক্তচাপ মাপা

ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার

উচ্চ রক্তচাপ দীর্ঘদিন পর্যন্ত লক্ষণহীন থাকতে পারে, কিন্তু শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে ক্ষতি করতে পারে। নিয়মিত মাপা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা গ্রহণ সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।

সতর্কতা: এই প্রতিবেদন শুধুমাত্র সাধারণ তথ্য। প্রয়োজনে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সূত্র: হেলথলাইন

ভোরের আকাশ//হ.র

স্বাস্থ্য পরামর্শ

শেয়ার করুন: