জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে আইসিডিডিআর’বির কার্যক্রমে মুগ্ধ ডব্লিওএইচও প্রতিনিধি দল

ছবি: সংগৃহীত
জনস্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে আইসিডিডিআর’বি। প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশীদ মোহাম্মদ।
মঙ্গলবার (৫ মে) আইসিডিডিআর’বি হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা শুরু করার আগেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের নাম শুনেছেন এবং এখানে আসার আগ্রহ দীর্ঘদিনের।
পরিদর্শনকালে ডব্লিওএইচও প্রতিনিধিদল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ), পুষ্টি পুনর্বাসন ইউনিট এবং এসআরএইচআর ইউনিট ঘুরে দেখে। এ সময় ডায়রিয়াজনিত রোগ, অপুষ্টি, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং স্তন্যদান পরামর্শসহ বিভিন্ন বিনামূল্যের সেবা সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়।
প্রতিনিধিদলকে স্বল্পমূল্যে নিউমোনিয়া ও হাইপোক্সেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ‘বাবল সিপিএপি’ প্রযুক্তি সম্পর্কে জানানো হয়। ডা. জোবায়ের চিশতি এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা তুলে ধরেন, যা বিশেষ করে হামজনিত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং শিশুদের বেঁচে থাকার হার বাড়াতে সহায়ক।
এ সময় আইসিডিডিআর’বির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডব্লিওএইচওর অপারেশনস স্পেশালিস্ট ক্রিস্টাল কাদাকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ডা. তাহমিদ আহমেদ স্বাস্থ্যনীতি, মহামারীবিদ্যা, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি ডায়রিয়াজনিত রোগ ব্যবস্থাপনা, অপুষ্টি মোকাবিলা, সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং ওয়াশ কার্যক্রমে আইসিডিডিআর’বির দক্ষতার কথাও উল্লেখ করেন।
পরবর্তীতে প্রতিনিধিদল আইসিডিডিআর’বির জিনোমিকস সেন্টার পরিদর্শন করে। সেখানে ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান চলমান জিনোমিক গবেষণা এবং ক্যান্সার নির্ণয়ে নেক্সট-জেনারেশন সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি চালুর অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভোরের আকাশ/সু.পা



